• বুধবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৫ রাত

এমপি লিটন হত্যা, কাদেরের যাবজ্জীবন

  • প্রকাশিত ০২:৩৩ দুপুর জুন ১১, ২০১৯
এমপি লিটন
আদালত প্রাঙ্গনে এমপি লিটন হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আব্দুল কাদের খান। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

৬ রাউন্ড গুলিসহ দ্বিতীয় অস্ত্রটি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপরহাটি গ্রামের আব্দুল কাদের খানের বাড়ির উঠানের মাটির নিচ থেকে থেকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক তৃতীয় অস্ত্রটির সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।

আলোচিত গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের ক্ষমতাসীন দলের সাবেক এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া অস্ত্র মামলায় সাবেক এমপি (অব) কর্নেল ডা. আব্দুল কাদের খানকে যাবজ্জীন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

১১ এপ্রিল, মঙ্গলবার বেলা পৌনে একটায় গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্পেশাল ব্রাঞ্চ -১ এর বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এ রায় ঘোষণা করেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযারী অস্ত্র আইনের মামলায় বিচারক এই রায় পড়ে ঘোষণা দেন। রায়ের সময় অভিযুক্ত আসামি কাদের খান আদালতে উপস্থিত ছিল।

শফিকুল ইসলাম জানান, এরআগে, মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক, শুনানিসহ সব কার্যক্রম গত ৩০ মে’র মধ্যে শেষ হয়েছে।  এ ছাড়া মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৫ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

তিনি জানান, এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় ৩টি অস্ত্র ব্যবহার হয়। এরমধ্যে ১টি অস্ত্র কাদের খান নিজে থানায় জমা দিয়েছেন। ৬ রাউন্ড গুলিসহ দ্বিতীয় অস্ত্রটি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপরহাটি গ্রামের আব্দুল কাদের খানের বাড়ির উঠানের মাটির নিচ থেকে থেকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক তৃতীয় অস্ত্রটির সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিজ বাড়ি সুন্দরগঞ্জের সাহাবাজ (মাষ্টারপাড়া) গ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন তৎকালীন এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। এ ঘটনায় ১ জানুয়ারি নিহতের বড় বোন ফাহমিদা কাকুলি বুলবুল বাদি হয়ে অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ছাড়া হত্যার কাজে ব্যবহৃত গুলিভর্তি পিস্তুল উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ সুন্দরগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলায় দায়ের করে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি কাদের খানসহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আসামিরা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।