• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৪১ রাত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী: মিয়ানমারের ডাহা মিথ্যা কথা কতক্ষণ সহ্য করা যায়

  • প্রকাশিত ০২:৫৩ দুপুর জুন ১২, ২০১৯
মোমেন
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। ছবি: ফোকাস বাংলা

রাখাইনের ৮০০ গ্রামের মধ্যে দুটো গ্রামের ওপর স্টাডি করা হয়েছে। সেটিও মিয়ানমার করিয়েছে আফিয়ানের মাধ্যমে। মাত্র দুটি গ্রামের ওপরে স্টাডি করে তারা বলছে, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সব ব্যবস্থা খুব ভালো করেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে মিয়ানমার কথা রাখেনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, “রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে বার বার আশ্বাস দিলেও কথা রাখছে না মিয়ানমার। ছয় মাস আগে তারা ব্রিফিং করে বলেছিল সব ঠিকঠাক করে দেবে। কিন্তু গত মাসের বৈঠকে দেখা গেলো, নতুন কোনও অগ্রগতি হয়নি। এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গা, এমনকি নো-ম্যানস ল্যান্ডে যারা আছেন তারাও ফেরত যায়নি। তাদের এমন ডাহা মিথ্যা কথা কতক্ষণ সহ্য করা যায়?”

১২ জুন, বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। খবর বাংলা ট্রিবিউনের।

রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে না নিলে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এখানে মুসলমানরা নয়, মানবতা লাঞ্ছিত হচ্ছে। আপনাদের যদি মানবতার প্রতি দরদ থাকে তাহলে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। ”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “সম্প্রতি মিয়ানমারের মন্ত্রী জাপানে ফিউচার অব এশিয়া ইভেন্টে বলেছিলেন’, বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা যাচ্ছে না, এর জন্য দায়ী তারাই। কিন্তু সত্যি কথা হচ্ছে, মিয়ানমার বার বার কথা দিয়েও কথা রাখছে না। ”

আব্দুল মোমেন বলেন, “রাখাইনের ৮০০ গ্রামের মধ্যে দুটো গ্রামের ওপর স্টাডি করা হয়েছে। সেটিও মিয়ানমার করিয়েছে আফিয়ানের মাধ্যমে। মাত্র দুটি গ্রামের ওপরে স্টাডি করে তারা বলছে, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সব ব্যবস্থা খুব ভালো করেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে মিয়ানমার কথা রাখেনি।”

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এখানে বিশাল সংখ্যক রোহিঙ্গা যদি পড়ে থাকে তাহলে উগ্রবাদের জন্ম হতে পারে।”

চীনের বিষয় আব্দুল মোমেন বলেন, “সামনের মাসে প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে যাবেন। সেখানে রোহিঙ্গা ইস্যু বড় করে তুলে ধরা হবে। চীনকে আমরা বলবো, এখানে যদি শান্তি না থাকে, স্থিতিশীলতা না থাকে, তবে তাদের (চীনের) স্বার্থ বিঘ্নিত হবে। এখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাড়লে তারা যে বিনিয়োগ করেছে বা করবে বলে আশা করছে, সেটি ব্যর্থ হবে।”