• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে

  • প্রকাশিত ০৬:১৭ সন্ধ্যা জুন ১৩, ২০১৯
ট্রাক্টর
ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন

দাম কমবে দেশে উৎপাদিত মোটরসাইকেলের।

২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কিছু পণ্যের দাম কমতে পারে। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এমন ঘোষণা এসেছে। 

প্রস্তাবিত বাজেটে ক্যানসার প্রতিরোধক ওষুধ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালে কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত উপকরণের শুল্ক কমানো হয়েছে।

পাউরুটি, বনরুটি, হাতে তৈরি কেক প্রতি কেজি ১৫০ টাকা পর্যন্ত মূল্য সংযোজন কর (মূসক) অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দাম কমবে দেশে উৎপাদিত মোটরসাইকেলের।

কৃষি যন্ত্রপাতি পাওয়ার রিপার, পাওয়ার টিলার অপারেটেড সিডার, কম্বাইন্ড হারভেস্টর, লোরোটারী টিলার, লিস্ট পাম্পের স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে মূসক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, লরি, থ্রি হুইলার, অ্যাম্বুলেন্স এবং স্কুলবাস বাকী সব ধরনের গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, মালিকানা পরিবর্তন, রুট পারমিট, রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ইত্যাদিতে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এতে সার্বিকভাবে গাড়ির ওপর খবর বাড়বে।

সিগারেট,বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সকল তামাকজাত পণ্য, সোনা ও রুপার অলংকার, এলপি গ্যাস, আমদানি করা চিনি, আমদানি করা গুঁড়া দুধ, গুঁড়া মসলা, টয়লেট টিস্যু, টিউবলাইট, চশমার ফ্রেমের দাম বাড়তে পারে। এসব পণ্যের প্রত্যেকটির উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। 

একই কারণে সিআর কয়েল, জিআই ওয়্যার, তারকাঁটা, স্ক্রু, অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হাঁড়ি-পাতিল, থালা-বাসনসহ গৃহস্থালি সামগ্রী ইত্যাদির দাম বাড়বে। 

হেলিকপ্টার ও চার্টার্ড বিমান সেবা মূল্যের ওপর ভ্যাটের পাশাপাশি সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এ দুটি সেবা গ্রহণ করার ক্ষেত্রেও খরচ বাড়বে। 

এ ছাড়া আইসক্রিম, মোবাইল ফোনের সিম কার্ড, মোবাইলে কল, স্মার্টফোন, টমেটো কেচাপ, চাটনি, ফলের জুস, স্ক্রু, ব্লেড, ট্রান্সফরমার, সানগ্লাস, রিডিং গ্লাস, আমদানি করা পার্টিকাল বোর্ড, আমদানি করা সব ধরনের টায়ারের দাম বাড়বে। 

একইসঙ্গে সয়াবিন তেল, পামঅয়েল, সানফ্লাওয়ার অয়েল ও সরিষার তেল আমদানিতে, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, লঞ্চের এসি কেবিন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, ইনডেনটিং, আসবাবপত্র, পরিবহন ঠিকাদার, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবার ওপর খরচ বাড়বে।


এ ছাড়া তৈরি পোশাক ক্রয়, পোশাক তৈরি ভ্যাট বৃদ্ধিতে পোশাকের দাম এবং রড উৎপাদন ও বিপণনে ভ্যাট প্রস্তাব করায় বাড়ি করার খরচ বাড়তে পারে।