• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

ঢাকা ট্রিবিউনে প্রতিবেদন প্রকাশের পর খুলে দেওয়া হলো মসজিদের তালা

  • প্রকাশিত ১০:২৯ রাত জুন ১৩, ২০১৯
টাঙ্গাইল মসজিদ
ঢাকা ট্রিবিউনে প্রতিবেদন প্রকাশের পর টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ইউএনও'র হস্তক্ষেপে খুলে দেওয়া হয়েছে মসজিদের তালা ঢাকা ট্রিবিউন

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এখন মুসল্লিরা সেখানে স্বাভাবিকভাবে নামাজ আদায় করছেন।

ঢাকা ট্রিবিউনসহ দেশের কয়েকটি জাতীয় দৈনিক এবং অনলাইনে গত ৯ জুন ‘টাঙ্গাইলে মালিকানা দাবিতে মসজিদে তালা!’  শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিবাদমান সেই মসজিদটির তালা খুলে দিয়েছেন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)। 

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ইউএনও মোহাম্মদ কামরুল ইসলামের হস্তক্ষেপে মসজিদটির তালা খুলে দেওয়ার পর থেকেই স্বাভাবিকভাবে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। আগামীকাল শুক্রবার সেখানে জুমা'র নামাজ আদায় করা হবে বলেও জানান তারা।

প্রসঙ্গত, ঘাটাইল উপজেলার চরবকশিয়া গ্রামে বিদেশি অর্থায়নে নির্মিত একটি মসজিদের মালিকানা দাবি করে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল প্রায় দুই মাস। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বিবাদমান দুই পক্ষকে ডেকে তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে ইউএনও মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, মসজিদ তালাবদ্ধ করে রাখার বিষয়টি জানার পর খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এখন মুসল্লিরা সেখানে স্বাভাবিকভাবে নামাজ আদায় করছেন।

জানা যায়, কুয়েতের অর্থায়নে ২০১৫ সালে বিবাদমান মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। দুবাই প্রবাসী বেলাল হোসেনও মসজিদটিতে বড় অঙ্কের অনুদান দিয়েছিলেন। কিছুদিন যেতে না যেতেই বেলাল হোসেন ও তার ভাই ছালাম মসজিদটিকে নিজেদের বলে দাবি করতে শুরু করেন। যার জেরে মসজিদ পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেন ছালাম। 

একপর্যায়ে মসজিদ নিজেদের দখলে নিতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি কাউকে কিছু না জানিয়ে ইমামকে তাড়িয়ে নিয়োগ করা হয় নতুন ইমাম। 

এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয়রা মসজিদে যাওয়া বন্ধ করে দেন। তবে ছালাম ও তার নিয়োগ করা ইমাম সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন।