• বুধবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৫ রাত

হবিগঞ্জে উদ্ধারকৃত তিনটি গন্ধগোকুল সাতছড়িতে অবমুক্ত

  • প্রকাশিত ০৯:১৯ রাত জুন ১৬, ২০১৯
গন্ধগোকুল
গন্ধগোকুল তিনটিকে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

‘গন্ধগোকুল বাংলাদেশের একটি বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী। আইইউসিএন এই প্রাণীটিকে বিপন্ন ঘোষণা করেছে। এরা সাধারণত ইঁদুর এবং মৃত মুরগী খেয়ে আমাদের পরিবেশকে রক্ষা করে। এগুলো সংরক্ষণ করা জরুরী।’

হবিগঞ্জ জেলা সদর থেকে উদ্ধারকৃত দুইটি বাচ্ছাসহ তিনটি গন্ধগোকুলকে চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়েছে। 

১৬ জুন, রবিবার বিকেলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে গন্ধগোকুল তিনটিকে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, হবিগঞ্জ-এ কর্মরত ফরেস্ট রেঞ্জার রেহান মাহমুদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ শহরের শংকর বস্ত্রালয়ের কাছে গত ১৪ জুন, শুক্রবার সন্ধ্যায় ও ১৫ জুন, শনিবার সকালে দু’টি বাচ্চাসহ মোট তিনটি গন্ধগোকুল পাওয়া যায়। পরে বাপা-হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল হবিগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ফজলুর জাহিদ এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে অবহিত করেন।

পরে ১৬ জুন, রবিবার দুপুরে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম প্রাণিগুলোকে ফরেস্ট রেঞ্জার রেহান মাহমুদের কাছে হস্তান্তর করেন। 

গন্ধগোকুল তিনটি অবমুক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বন কর্মকর্তা রেহান মাহমুদ বলেন, “আমরা সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে মাসহ বাচ্চদু’টিকে অবমুক্ত করেছি।”

এ বিষয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক মিয়া বলেন, “গন্ধগোকুল বাংলাদেশের একটি বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী। আইইউসিএন এই প্রাণীটিকে বিপন্ন ঘোষণা করেছে। এরা সাধারণত ইঁদুর এবং মৃত মুরগী খেয়ে আমাদের পরিবেশকে রক্ষা করে। এগুলো সংরক্ষণ করা জরুরী।”