• বুধবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৭ সকাল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : যেখানেই থাকুক সোহেল তাজের ভাগ্নের খোঁজ পাওয়া যাবে

  • প্রকাশিত ০৪:৩৩ বিকেল জুন ১৮, ২০১৯
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ফাইল ছবি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে দুটি বিষয় হতে পারে। কেউ তাকে কোথাও নিয়ে যেতে পারে। আরেকটি হতে পারে সে কোথাও গিয়ে থাকতে পারে। তবে যেখানেই থাকুক খোঁজ পাওয়া যাবে।’

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের ভাগ্নের নিখোঁজের বিষয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, “তাজ আমাকে ফোন করেছেন। এ বিষয়ে থানায় ডিজি হয়েছে। আমি বিষয়টি তদন্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি।”

১৮ জুন, মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এখানে দুটি বিষয় হতে পারে। কেউ তাকে কোথাও নিয়ে যেতে পারে। আরেকটি হতে পারে সে কোথাও গিয়ে থাকতে পারে। তবে যেখানেই থাকুক খোঁজ পাওয়া যাবে।”

থানায় ওসির পরিবর্তে এএসপিকে দায়িত্ব দেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আগে থানায় ওসির জায়গায় এসআই ছিল। এখন ওসি আছে। সময়ের সাথে দেশে উন্নয়ন হয়েছে। এ বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি চলমান প্রক্রিয়া।”

পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তাকে আগেই বরখাস্ত করা হয়েছে।”

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পরিচালিত দুর্নীতির অনুসন্ধান থেকে তাকে দায়মুক্তি দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির ৪০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে সমঝোতা করেন। তিনি রাজধানীর রমনা পার্কে বাজারের ব্যাগে করে ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেন এবং বাকি ১৫ লাখ পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার কথা বলেন।

প্রতিবেদনটি প্রচারিত হওয়ার পর তথ্য পাচার ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বাসিরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে দুদক।

ডিআইজি মিজান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ছিলেন। বেসরকারি টিভি চ্যানেলের এক নারী সংবাদ উপস্থাপিকাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ৯ জানুয়ারি মিজানকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে এক নারীকে জোরপূর্বক বিয়ে এবং তাকে নির্যাতন করার অভিযোগও ছিল।

এদিকে  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়  গত বছরের চেয়ে এ বছর আরও এগিয়ে যাবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “চার বিভাগের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস ভালোভাবে কাজ করছে। কারাগারকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। কারাবন্দীদের ফোনে যোগাযোগ সুবিধা দেওয়া, খাবার মান বৃদ্ধি ও সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। তাদের জনবল ও উপকরণ বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে ই-পাসপোর্ট করা হচ্ছে।”

সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত ও গতিশীলতা আনতে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি ভূমিকা রাখছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।