• শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৪ রাত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সরকারি চাকরিতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে মাদক পরীক্ষা

  • প্রকাশিত ০৬:৫৮ সন্ধ্যা জুন ২৫, ২০১৯
আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৫ জুন) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বকতব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ছবি: ইউএনবি

"এ ধরনের একটি অনুশাসনের ফাইলে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। এটা এখন বাস্তবায়ন হবে পর্যায়ক্রমে।"

সরকারি চাকরিতে প্রবেশে মাদক পরীক্ষা (ডোপ টেস্ট) বাধ্যতামূলক হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের নীতিগত অনুমোদন নেয়া হয়েছে। খবর ইউএনবি'র।

"সরকরি চাকরিজীবীরা যদি মাদকাসক্ত হন তাহলে আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এখন আমরা চাকরিতে প্রবেশের সময় ডোপ টেস্ট বাস্তবায়ন করছি," বলেন তিনি।

কাউকে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময় অবশ্যই ডোপ টেস্ট দিয়ে আসতে হবে। চাকরি প্রার্থীর রক্তে যদি মাদকের আলামত পাওয়া যায় তাহলে তার আবেদন হয়তো বাতিল করে দেয়া হবে, যোগ করেন মন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবার জন্য ডোপ টেস্ট প্রযোজ্য হবে। "এ ধরনের একটি অনুশাসনের ফাইলে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। এটা এখন বাস্তবায়ন হবে পর্যায়ক্রমে।"

মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন আসাদুজ্জামান খাঁন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে মিয়ানমারের সাথে প্রতিবারই আলোচনা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, "দেশটির সরকার প্রধানের সাথেও আমি আলোচনা করেছি। আমাদের সাথে তারা অনেক কথাই বলেন কিন্তু কোনো কথাই কার্যকর হয় না।"

তবে ভারতের সাথে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফেনসিডিলের সংখ্যা এখন অনেক কমে আসছে। আগে ভারত থেকে যে পরিমাণ ফেনসিডিল আসত এখন তার ৫৯ ভাগও আসে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান , ইয়াবা আসে মিয়ানমার থেকে। রোহিঙ্গারা এ মাদকের সরবরাহকারী। তারা জীবনের ভয়কে উপেক্ষা করে এ অবৈধ ব্যবসা করছে।

সীমান্তে বিজিবির সংখ্যা বাড়ানো এবং কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন।