• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৪ রাত

যক্ষ্মা নির্মূল: যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা জোরদার

  • প্রকাশিত ০৮:৩৪ রাত জুন ২৫, ২০১৯
ইউএসএআইডি
অংশীদারত্ব বিবৃতিতে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ দেশে যক্ষ্মা নির্মূলের অঙ্গীকার পুর্নব্যক্ত করল। ছবি: সংগৃহীত

২০১৮ সালে বাংলাদেশ ২৫ লাখেরও বেশি যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসা করেছিল। তবে প্রায় ২৬ শতাংশ সংক্রমণের ঘটনাই অচিহ্নিত থেকে যায়। মাল্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স (এমডিআর) অর্থাৎ একাধিক ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা ও শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে অচিহ্নিত থাকার হার আরও বেশি।

বাংলাদেশ থেকে যক্ষ্মা নির্মূলে নিজ নিজ অবস্থানের অংশীদ্বারত্বকে আরো জোরদার করতে অঙ্গীকার করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি)।

২৫ জুন, মঙ্গলবার ঢাকায় নতুন এই অংশীদারিত্ব বিবৃতিতে (এসপি) স্বাক্ষর করেছেন তারা।

অংশীদারত্ব বিবৃতিতে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০২২ সালের মধ্যে যক্ষ্মার প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেছে। অনুষ্ঠানে ইউএসএআইডি মিশন পরিচালক ডেরিক ব্রাউন বলেন, “আজ অংশীদারত্ব বিবৃতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ইউএসএআইডি, বাংলাদেশ সরকারের ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে, যখন কিনা দেশটি ২০২২ সাল নাগাদ তাদের লক্ষ্য অর্জনের প্রচেষ্টার গতি জোরদার করছে। বাংলাদেশকে আগামী পাঁচ বছরে ১৫ লাখের বেশি নতুন যক্ষ্মা আক্রান্তের ঘটনা সনাক্ত ও রোগীদের চিকিৎসা করতে হবে। ইউএসএআইডি, বাংলাদেশ সব ধরনের অচিহ্নিত যক্ষ্মা সনাক্ত, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মপ্রচেষ্টায় জোরালোভাবে সহযোগিতা করবে।”

২০১৮ সালে বাংলাদেশ ২৫ লাখেরও বেশি যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসা করেছিল। তবে প্রায় ২৬ শতাংশ সংক্রমণের ঘটনাই অচিহ্নিত থেকে যায়। মাল্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স (এমডিআর) অর্থাৎ একাধিক ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা ও শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে অচিহ্নিত থাকার হার আরও বেশি। অংশীদারত্ব বিবৃতিতে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে ইউএসআইডি, বাংলাদেশ যক্ষ্মা রোগ নির্মূলের পথে অভিযাত্রায় বাংলাদেশ সরকারের কারিগরী সহযোগী হবে।

ইউএসএআইডির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশকে ৭০০ কোটি ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা দিয়েছে। ২০১৮ সালে সংস্থাটি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে প্রায় ২১ কোটি ৯০ লাখ ডলার দিয়েছিল। এসবের মধ্যে ছিল খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং অনুশীলনকে এগিয়ে নেওয়া, পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার সামর্থ্য বৃদ্ধি বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচি।