• শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৫২ রাত

হাইকোর্ট: তুরাগ নদী এখন থেকে জীবন্ত সত্তা

  • প্রকাশিত ০৪:৪৬ বিকেল জুলাই ১, ২০১৯
তুরাগ নদী
ঢাকার তুরাগ নদী সৈয়দ জাকির হোসাইন/ঢাকা ট্রিবিউন

রায়ে নদী রক্ষার্থে ১৭ টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে

তুরাগ নদীকে 'জীবন্ত সত্তা'র মর্যাদা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায়ের প্রতিলিপি প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। সোমবার হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে রায়ের পূর্ণাঙ্গ প্রতিলিপি প্রকাশ করা হয়।

এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। 

রায়ে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে তুরাগ নদীসহ দেশের সব নদীর অভিভাবক হিসেবে ভূষিত করা হয়েছে। সোমবার নদী দূষণ এবং দখলমুক্ত করতে ২৮৩ পৃষ্ঠার এই রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ে নদী রক্ষার্থে ১৭ টি নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

রায়ে বলা হয়, এই নির্দেশনা সবসময়ের জন্য বলবত থাকবে। দেশের কোথাও এই নির্দেশনার অবমাননা হলে যে কেউ কোর্টে এসে মামলা করতে পারবেন।

রায়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নদী দখলকারী কিংবা এ সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে সে বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে আরো বলা হয়, নদী দখল এবং দূষণের সাথে যুক্ত কোনো ব্যক্তি ব্যাংক থেকে ঋণ পাবার ক্ষেত্রে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

এ বিষয়ে ৬ মাসের মধ্যে পদক্ষেপ নিয়ে আদালতকে অবহিত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং ইসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এছাড়াও নদী সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ে একটি আলাদা অধ্যায় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এবাদে দেশের প্রতিটি কল-কারখানার শ্রমিকদের মাঝে নদী বিষয়ক সচেতনতা তৈরিতে প্রতি দুই মাস অন্তর একটি এক ঘন্টার সভার আয়োজন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

গত জানুয়ারি মাসে 'হিউম্যান রাইটস ফর পিস ফর বাংলাদেশ' আদালতে এই বিষয়ে রিট দাখিল করে।