• রবিবার, জুলাই ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৫১ দুপুর

৬ মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২,৩২৯

  • প্রকাশিত ০৫:৪৩ সন্ধ্যা জুলাই ৫, ২০১৯
সড়ক দুর্ঘটনা
প্রতীকী ছবি।

এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৬১ জন

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ২ হাজার ১৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২ হাজার ৩২৯ জন। নিহতদের ২৯১ জন নারী ও ৩৮১টি শিশু রয়েছে। আর এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৬১ জন।

১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক, জাতীয় সড়ক, আন্তজেলা সড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

সাংবাদিকদের সংগঠন শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (এসসিআরএফ) ২২টি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং আটটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ৩৮৩টি দুর্ঘটনায় ৫৩ জন নারী ও ৭১টি শিশুসহ ৪১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৭২৫ জন আহত হয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় ৪০১টি দুর্ঘটনায় ৪১৫ জন নিহত এবং ৮৮৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন নারী ও ৬২টি শিশু রয়েছে।

মার্চে ৩৮৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬ নারী ও ৮২টি শিশুসহ ৩৮৬ জন   নিহত এবং আহত হয়েছেন ৮২০ জন।

এপ্রিলে দুর্ঘটনা সংগঠিত হয় ৩২৭টি। এতে ৩৪০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৬১০ জন। নিহতদের মধ্যে ৩৮ জন নারী ও ৫৩টি শিশু।

মে মাসে ২৯৭টি দুর্ঘটনায় ৪৭ জন নারী ও ৪৪টি শিশুসহ ৩৩৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫০৪ জন।

জুনে ৩৬৭টি দুর্ঘটনায় ৪৯ জন নারী ও ৬৯টি শিশুসহ ৪৩৯ জন নিহত ও ৮১৮ জন আহত হন।

এসসিআরএফ সভাপতি আশিষ কুমার দে বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধির জন্য ১০টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে।

কারণগুলো হলো- চালকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর প্রবণতা, দৈনিক চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো, লাইসেন্স ছাড়া চালক নিয়োগ, পথচারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব এবং ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে ওভারটেকিং করা।

এছাড়া, বিরতি ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ি চালানো, আনফিট গাড়ি বন্ধে আইনের প্রয়োগ না থাকা, দীর্ঘ পথে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ, সড়ক ও মহাসড়কে মোটরসাইকেল ও তিন চাকার গাড়ি বৃদ্ধিও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।