• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫৫ সকাল

বিপদসীমার খুব কাছে তিস্তার পানি, জনমনে আতঙ্ক

  • প্রকাশিত ১১:৩৩ সকাল জুলাই ৯, ২০১৯
তিস্তা
ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন

ইউপি চেয়ারম্যান ময়নূল ইসলাম জানান, এলাকার লোকজন আতঙ্কে দিনযাপন করছে। কখন যে বাড়ি-ঘর সরাতে হবে এর ঠিক নেই।

উজানের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তায় হঠাৎ করে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার মাত্র ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

পরিস্থিতি স্বাভবিক রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি স্লুইস গেটের সবকটি খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। 

পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের গেজ পাঠক (পানি পরিমাপক) নূরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পুর্ব ছাতনাই, খগাখাড়বাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গয়াবাড়ী, জলঢাকার গোলমুণ্ডা, ডাউয়াবাড়ি, শৌলমারী ও   কৈমারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকায় ১০টি চরে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

এছাড়াও পাশের লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা, কালিগঞ্জ উপজেলার নদীবেষ্টিত চর ও চরের গ্রামগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুলাহ আল মামুন জানান, গত দুই দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তায় বন্যা দেখা দিয়েছে। ভোর ৬টায় পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ময়নূল ইসলাম জানান, এলাকার লোকজন আতঙ্কে দিনযাপন করছে। কখন যে বাড়ি-ঘর সরাতে হবে এর ঠিক নেই। নিচু অঞ্চল ও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। যে কোনো সময় লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে পারে। 

পুর্ব ছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বলেন, ঝাড়সিংশ্বর এলাকাসহ জলঢাকার ডাউয়াবাড়ী, হলদিবাড়ী, গোপালঝাড় ও আলসিয়া পাড়ার পরিবার গুলোতে বন্যার পানি প্রবেশ করতে পারে।  

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুন নাহার বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢলে ও ভারী বর্ষণে তিস্তার পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে চর ও চর গ্রামগুলি তলিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।