• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০০ রাত

চাঁদাবাজি করায় গ্রেপ্তার পুলিশের কনস্টেবল পদপ্রার্থী

  • প্রকাশিত ১০:২১ রাত জুলাই ৯, ২০১৯
যশোর পুলিশ
যশোরে পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ড দিয়ে চাঁদাবাজির সময় গ্রেপ্তার হওয়া যুবক ঢাকা ট্রিবিউন

অভিযুক্ত যুবক মুক্তিযোদ্ধা কোটায় এবার পুলিশ কনস্টেবল পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন

পুলিশ কনস্টেবল পদে মনোনীত হয়ে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন রাকিবুল হাসান শান্ত নামে এক যুবক।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুরে তিনি যশোর শহরের সিটি প্লাজা নামে একটি শপিংমলের একটি পোশাকের দোকানে ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হলে শপিংমলের ব্যবসায়ীরা পাকড়াও করে তাকে পুলিশে দেয়।

কোতোয়ালি থানা পুলিশের এসআই ইকবাল মাহমুদ জানান, এদিন দুপুরে ওই যুবক সিটি প্লাজার এসএস ফ্যাশনে গিয়ে নিজেকে পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে দোকান কর্মচারী সাইফুল ইসলামের কাছে ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। দোকান কর্মচারী টাকা দিতে অস্বীকার করলে তিনি দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে দোকান মালিক শাহ আলম ঘটনাস্থলে আসেন এবং শান্তর দেওয়া মিথ্যা তথ্যের বিষয়টি ধরে ফেলেন। এরপর তিনি থানায় জানালে ঘটনাস্থলে গিয়ে শান্তকে আটক করে পুলিশ। 

এসময় তার কাছ থেকে পুলিশের একটি ভুয়া আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে পুলিশকে জানান, শহরের পালবাড়ি এলাকায় এবি মাল্টিমিডিয়া নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তিন দিন আগে তিনি ১২০ টাকা দিয়ে কার্ডটি তৈরি করে নিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ড বানিয়ে দেওয়ার অভিযোগে পরে মামুন হোসেন জনি নামে আরেক যুবককে আটক করা হয়। মামুনও তার দোষ স্বীকার করেছেন। 

শান্ত পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় এবার পুলিশ কনস্টেবল পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। যশোর শহরের পালবাড়ি গাজীরঘাট রোড এলাকার শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে তিনি। তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ও বিশেষ বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য। 

যোগাযোগ করা হলে কোতোয়ালি থানার ওসির ইনসপেক্টর (তদন্ত) সমীর কুমার সরকার জানান, পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলে এবিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

এঘটনার আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের আয়োজন করেন। সেখানে তিনি জানান, ঘুষ নয়, মেধা ও যোগ্যতার বিচারে যশোরের পুলিশ বিভাগ এবার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে ১৯৩ জনকে নিয়োগ দিয়েছে। অপেক্ষমাণ রয়েছে আরও ৩০ জন। যারমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় রয়েছে ২৩ জন।