• মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৩ রাত

সপ্তাহে ৬দিন ঢাকা-বেনাপোল রুটে চলবে ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’

  • প্রকাশিত ১০:৫১ সকাল জুলাই ১২, ২০১৯
‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’
ঢাকা-বেনাপোল রুটে সপ্তাহে ৬দিন বিরতিহীনভাবে চলবে ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’। ছবি: সংগৃহীত

রেল সূত্রে জানা যায়, ১৭ জুলাই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ট্রেনটি উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের প্রথমদিন ট্রেনটি বেনাপোল থেকে দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে

ঢাকা-বেনাপোল রুটে যাত্রীসেবায় সপ্তাহে ৬দিন বিরতিহীনভাবে চলবে ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ।

রেল সূত্রে জানা যায়, ১৭ জুলাই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ট্রেনটি উদ্বোধন করবেন। ট্রেনটি উদ্বোধনের প্রথমদিন বেনাপোল থেকে  দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। সেসময় উপস্থিত থাকবেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, রেলওয়ে পরিচালক মো. শামছুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বেনাপোল রেলস্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ট্রেনটিতে ১২টি বগি থাকবে। এর আসন সংখ্যা হবে ৯০০। ট্রেনের ভেতর এসি চেয়ারের বগি থাকবে দু’টি এবং কেবিন থাকবে ১টি বগিতে।

বেনাপোল এক্সপ্রেসের ননএসি শোভনের টিকেট হবে ৪৮৫ টাকা, এসি চেয়ারের ভাড়া হবে ৯৩২ টাকা ও কেবিনের ভাড়া হবে ১১১৬ টাকা। ট্রেনে ৫ ও ৮ সিটের কেবিন থাকবে।

জানা যায়, আধুনিক এই ট্রেনের বগিগুলো ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা হয়েছে। ট্রেনটিতে বিমানের মতো বায়ো-টয়লেট সুবিধা রয়েছে। ট্রেনটি সপ্তাহের ৬দিন বেলা সাড়ে ১১টার সময় বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। আবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা থেকে বেনাপোলের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। সকাল ৮টার মধ্যে ট্রেনটি বেনাপোল স্টেশনে ঢুকবে। যাত্রীরা অনলাইনেই ট্রেনটির টিকিট সংগ্রহ করতে পারবে।

বাংলাদেশ-ভারত ল্যান্ডপোর্ট, ইমপোর্ট ও এক্সপোর্ট সাব কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, দেশে স্থলপথে যে বাণিজ্য হয়, তার ৭০ শতাংশ হয় বেনাপোল বন্দর দিয়ে। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে, চিকিৎসা ও ভ্রমণে এপথে মানুষ বেশি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করে থাকে। তবে, বাসে সীমাহীন দুর্ভোগে তাদের যাতায়াত করতে হয়। বিশেষ করে বাসে অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম আর দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। এপথে রেলসেবা চালু হলে যাত্রীরা এসব ক্ষতির হাত থেকে অনেকটা রেহায় পাবেন।

বেনাপোল সি আ্যান্ড এফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, এই রুটে প্রায়ই বাস সংকটে দূর-দূরান্তের যাত্রীদের আটকে পড়ে ভোগান্তি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হতে দেখা যায়। তাদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এপথে রেলসেবা চালুতে এখন দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে সাধারণ যাত্রীরা।

ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রী ফাতিমা জান্নাত জানান, দেশ ভাগ হলেও ভারতের সঙ্গে এখনও অনেকের আত্মীয়ের বন্ধন রয়ে গেছে। একারণে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে এবং ভালো চিকিৎসা পেতে তাদের প্রায়ই ভারতে যেতে হয়। ভারত থেকেও তাদের অনেক আত্মীয় বাংলাদেশে বেড়াতে আসে। হরতাল, অবরোধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাত্রীরা সড়কপথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে আটকে পড়ে দুর্ভোগের শিকার হয়। এখন যেহেতু এপথে যাত্রীবাহী রেল চালু হচ্ছে, সেহেতু তারা অনেক উপকৃত হবেন।