• বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

ঢাকা-সিউলের মধ্যে ৩টি চুক্তি স্বাক্ষর

  • প্রকাশিত ০৮:৪৮ রাত জুলাই ১৪, ২০১৯
চুক্তি স্বাক্ষর
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রবিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী লী নাক ইয়োনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে ৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ছবি: ফোকাস বাংলা

দক্ষিণ কোরিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লি তায়েহো ও বাংলাদেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমির প্রিন্সিপাল সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খন্দকার প্রথম এমওইউতে নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন

বিনিয়োগ, কূটনীতি ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রবিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী লি নাক ইয়োনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে চুক্তিগুলো স্বাক্ষর হয় বলে ইউএনবি'র একটি খবরে বলা হয়েছে।

চুক্তি তিনটির মধ্যে প্রথমটি হলো- কোরিয়ার পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিপ্লোমেটিক একাডেমি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরেন সার্ভিস একাডেমির মধ্যে সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।

দ্বিতীয়টি বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কোরীয় ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সি এবং বালাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভলোপমেন্ট অথরিটির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।

তৃতীয়টি বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।

দক্ষিণ কোরিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লি তায়েহো ও বাংলাদেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমির প্রিন্সিপাল সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খন্দকার প্রথম এমওইউতে নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

কোরিয়ার বাণিজ্য বিনিয়োগ প্রমোশন এজেন্সির মুখ্যনির্বাহী কর্মকর্তা পিয়ং ওহ ও বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল হক দ্বিতীয় এমওইউতে নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

আর দক্ষিণ কোরিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লী তায়েহো ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল নিজ নিজ পক্ষে তৃতীয় এমওইউতে স্বাক্ষর করেন।