• বুধবার, আগস্ট ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৩ রাত

হালদা দূষণের দায়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, জরিমানা ২০ লাখ

  • প্রকাশিত ০৮:৫৮ রাত জুলাই ১৭, ২০১৯
হালদা
ভারি বৃষ্টিপাতের মধ্যে ‘পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট’ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে হালদা নদীতে তরল বর্জ্য ছেড়ে দেওয়া হয়। ছবি: ইউএনবি

ভারি বৃষ্টিপাতের সুযোগ নিয়ে হাটহাজারী উপজেলার এগারো মাইল এলাকার ‘পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট’ নামক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে হালদা নদীতে তরল বর্জ্য ছেড়ে দেওয়া হয়।

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীতে তরল বর্জ্য ফেলে পানি দূষণের দায়ে জেলার হাটহাজারীর ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ‘পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট’কে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

একইসঙ্গে তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) ও ‘অয়েল ওয়াটার সেপারেটর’ স্থাপন না করা পর্যন্ত তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রাখারও আদেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

১৭ জুলাই, বুধবার পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসাইন তার নিজ কার্যালয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে দূষণের অভিযোগ সংক্রান্ত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারি পরিচালক (কারিগরি) মুক্তাদির হাসান জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রের তরল বর্জ্য মরাছড়া খাল হয়ে হালদা নদীর পানির সঙ্গে মিশে যাবার প্রমাণ পাওয়ার পর ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের শুনানিতে হাজিরের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, “শুনানি শেষে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫- এর ৭ ধারায় হাটহাজারীর ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ‘পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট’কে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

গত ৮ জুলাই সকালে ভারি বৃষ্টিপাতের সুযোগ নিয়ে হাটহাজারী উপজেলার এগারো মাইল এলাকার ‘পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট’ নামক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে হালদা নদীতে তরল বর্জ্য ছেড়ে দেওয়া হয়।

এখবর পেয়ে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন ঘটনাস্থলে যান। তিনি পরিবেশ অধিদফতরে এসংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওইদিনই পরিবেশ অধিদফতরের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায় এবং তারা হালদায় বর্জ্য ফেলার প্রমাণ পান।