• সোমবার, আগস্ট ২৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৬ রাত

রিশান ফরাজীর ৫ দিনের রিমান্ড

  • প্রকাশিত ১২:০৩ দুপুর জুলাই ১৯, ২০১৯
রিফাত হত্যা
বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি মো. রাশিদুল হাসান রিশান ঢাকা ট্রিবিউন

শুক্রবার(১৯ জুলাই) সকাল ১০টায় বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালতের বিচারক ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি মো. রাশিদুল হাসান রিশানকে (রিশান ফারাজী) ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার(১৯ জুলাই) সকাল ১০টায় বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালতের বিচারক ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিশান বরগুনার পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি রোডের দুলাল ফরাজীর ছেলে ও মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীর ছোটভাই। বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মো. শাহজাহান হোসেনের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৮ জুলাই সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক(তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হুমায়ন কবির বলেন, রিফাত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাশিদুল হাসান রিশান ওরফে রিশান ফরাজীকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালতের কাছে ৭দিনের পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করা হয়। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সবকিছু বিবেচনা করে ৫দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

রিফাত হত্যা মামলায় এপর্যন্ত মিন্নিসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ২ জুলাই ভোরে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এখন পর্যন্ত ১২ আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও তাদের থামাতে

পারেননি। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয় জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।