• মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:২১ দুপুর

রিফাত হত্যা: স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মিন্নি

  • প্রকাশিত ০৭:৪৬ রাত জুলাই ১৯, ২০১৯
মিন্নি
আদালত প্রাঙ্গণে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। ঢাকা ট্রিবিউন

ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। 

ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক(তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন মিন্নি।

মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর মিন্নিকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। পরদিন বুধবার বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর হুমায়ুন কবির তার সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


আরও পড়ুন- রিফাত হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় স্ত্রী মিন্নি গ্রেপ্তার


তবে আদালতে নিজেকে নির্দোষ জানিয়ে ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবি করেছিলেন মিন্নি। তার দাবি, আসামিরা তাকে বিভিন্নসময়ে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়েছে। তিনি স্বামী হত্যার বিচার চান।

এদিকে, মিন্নিকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন রিফাতের বাবা।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।


আরও পড়ুন- রিফাতের স্ত্রী মিন্নি রিমান্ডে


এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা সাতজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। যার ১ নম্বর স্বাক্ষী ছিলেন মিন্নি।

রিফাত হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২ জুলাই ভোররাতে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

এখন পর্যন্ত রিফাত হত্যা মামলার স্বাক্ষী মিন্নি এবং সাত আসামি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।


আরও পড়ুন- মিন্নির রিমান্ডে নিতে যেসব যুক্তি দেখিয়েছে পুলিশ


প্রসঙ্গত, রিফাত হত্যাকাণ্ডের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সন্ত্রাসীরা তাকে উপর্যুপুরি কোপাচ্ছে এবং তাদের হাত থেকে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন মিন্নি।