• শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৮ রাত

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ ফুপার বিরুদ্ধে

  • প্রকাশিত ০৫:৩৬ সন্ধ্যা জুলাই ৩০, ২০১৯
যৌন হেনস্থা
প্রতীকী ছবি

‌নিখোঁজ হওয়ার আড়াই মাস পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ

টাঙ্গাইলের সখীপুর থেকে ‘নিখোঁজ’ হওয়ার আড়াই মাস পর অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে নেত্রকোণা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেলে ওই কিশোরীকে নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা থেকে উদ্ধার করা হয়। অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে তার আপন ফুপা মানিক খানকে (৩০) গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোমবার রাতে তার মা অপহরণ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে সখীপুর থানায় মানিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ মামলায় গ্রেপ্তার মানিক খান নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার গোহালাকান্দা গ্রামের সোবহান খানের ছেলে। বছর তিনেক আগে গাজীপুরে পোশাক কারখানায় কর্মরত থাকাকালে ওই কিশোরীর ফুপুকে বিয়ে করে।

সখীপুর থানার এসআই ওমর ফারুক ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, গত ১৪ মে ওই স্কুলছাত্রী সখীপুর উপজেলার গ্রামের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। কয়েকদিন খোঁজাখুঁজি করে মেয়েকে না পেয়ে তার মা সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। যার সূত্র ধরে পুলিশ নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।

এদিকে, ওই কিশোরী জানিয়েছে, “অপহরণের পর ১৫ দিন আমি কীভাবে কোথায় গিয়েছিলাম এসব মনে পড়ছে না। তবে আমার মনে আছে, মাস দুয়েক আগে একজন হুজুর আমাদের বিয়ে পড়ান।” 

“ফুপাকে কেন বিয়ে করলে?” এমন প্রশ্নের জবাবে সে জানায়, “আমি এগুলো কিছুই বুঝতে পারিনি।”

অভিযু্ক্ত মানিক জানান, “আমি অপহরণ ও ধর্ষণ কিছুই করিনি। মেয়ের ইচ্ছেতে তাকে নিয়ে আমার নেত্রকোণার বাড়িতে গিয়ে বিয়ে করেছি। তার ফুপু আমার চেয়ে ১০ বছরের বড় হওয়ায় দাম্পত্য জীবনে সুখী ছিলাম না।”

সখীপুর থানার ওসি আমির হোসেন বলেন, মেয়েটির মা মানিক খানের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা করেছে। মানিককে মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।