• শনিবার, আগস্ট ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩৮ রাত

অবশেষে উদ্ধার হলো টাঙ্গাইলের সেই বেপরোয়া মহিষটি

  • প্রকাশিত ০৪:২৩ বিকেল আগস্ট ১৩, ২০১৯
টাঙ্গাইল মহিষ
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে উদ্ধার করা হয়েছে কোরবানির জন্য কেনা বেপরোয়া মহিষ ঢাকা ট্রিবিউন

ইতোমধ্যেই মহিষটিকে নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন তার মালিক। বুধবার দুপুরের পরে এটিকে কোরবানি করা করা হতে পারে

অবশেষে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ছুটে যাওয়া ক্ষিপ্ত সেই মহিষটিকে ২৫ ঘণ্টা পর নিবৃত্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দুপুরের দিকে ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নিকলা বিলে অবস্থানরত মহিষটিকে ইনজেকশন দিয়ে নিস্তেজ করে ঢাকা থেকে যাওয়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের একটি বিশেষ দল। 

পরে সেটিকে উদ্ধার করে মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মহিষটিকে দেখতে ভিড় জমায় হাজারো উৎসুক জনতা। 

সোমবার সারাদিন রাত চেষ্টা করেও মহিষটিকে উদ্ধার করা যায়নি। মহিষটির গুঁতায় অন্তত ১১ জন আহত হন।


আরও পড়ুন- কোরবানির মহিষ ধরতে গিয়ে আহত ১১, গুলি, তুলকালাম!


ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামছুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, মহিষটিকে উদ্ধারের জন্য ঢাকা থেকে প্রাণিসম্পদের একটি টিম আসে। পরে তারা নৌকা যোগে নিকলা বিলে গিয়ে সেটিকে ইনজেকশন পুশ করে। ধীরে ধীরে মহিষটি দুর্বল হয়ে গেলে সেটিকে উদ্ধার করে মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ইতোমধ্যেই মহিষটিকে নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন তার মালিক। বুধবার দুপুরের পরে এটিকে কোরবানি করা করা হতে পারে।

ছবি: ঢাকা ট্রিবিউনতিনি আরও বলেন, ঈদ উপলক্ষে জেলার ঘাটাইলের যুগিহাটি গ্রামের কয়েকজন মিলে কোরবানির জন্য মহিষটিকে কেনেন। এটিকে রাখা হয় স্থানীয় আরিফুল সরকারের বাড়িতে। সোমবার কোরবানি দেওয়ার সময় হঠাৎ লাফিয়ে উঠে সেখানে থাকা বেশ কয়েকজনকে আহত করে মহিষটি ভূঞাপুর উপজেলার কাগমারি পাড়ার চরে চলে যায়।

সন্ধ্যার দিকে মহিষটিকে নিবৃত্ত করতে এক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। তবে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে যায়। এরপর হাজারো মানুষ চলে এলে আর গুলি করা সম্ভব হয়নি। মহিষটি সারারাত পর কাগমারি থেকে অলোয়া ইউনিয়নের নিকলা বিলে চলে যায়। সেটিকে নিবৃত্ত করতে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা থেকে প্রাণিসম্পদের একটি দল ভূঞাপুরে যায়।