• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

‘রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার মতো এমন কিছু করেননি খালেদা জিয়া’

  • প্রকাশিত ১২:৪৬ দুপুর আগস্ট ১৪, ২০১৯
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বুধবার (১৪ আগস্ট) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে আওয়ামী লীগ নেতা হানিফের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আইন ও সরকার শাসকদের করায়ত্ত, তাই আন্দোলনের মাধ্যমেই তাকে মুক্ত করতে হবে’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “খালেদা জিয়া এমন কিছু করেননি যে তাকে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।”

বুধবার (১৪ আগস্ট) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে আওয়ামী লীগ নেতা হানিফের বক্তব্য খন্ডন করে  সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, “খালেদা জিয়া অন্যায় করেননি, কোনো অপরাধ করেননি, নিছক রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে সরকার ক্ষমতার জোরে তাকে বন্দী করে রেখেছে।” তিনি বলেন, “আইন ও সরকারও শাসকদের করায়ত্ত, তাই আন্দোলনের মাধ্যমেই তাকে মুক্ত করতে হবে।”   

দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক নৈরাজ্য ও টানাপোড়েনের প্রভাব সাম্প্রতিক চামড়া বাজারের বিপর্যয়ের কারণ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কোরবানির চামড়া বিক্রি করতে না পেরে অনেকেই সেটা মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন। এটা দেশের বিরাট অর্থনৈতিক ক্ষতি, যার দীর্ঘস্থায়ী বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে আমাদের চামড়া শিল্পের উপর।”

তিনি এজন্য সরকারকে দায়ী করে বলেন, “পূর্ব পরিকল্পনার অভাব এবং ব্যবসায়ীদের চামড়া কেনার জন্য সুবিধাজনক ঋণ প্রদানে সরকারের অনীহার কারণেই এই নজিরবিহীন নৈরাজ্য ঘটেছে। আর এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, পশুপালনকারী, চামড়া ক্রয়কারী এমনকি চামড়ার সাথে যুক্ত বড় ব্যবসায়ীরাও।

তিনি আরো বলেন, “তথাকথিত মাথাপিছু আয় ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেখিয়ে সরকার দাবি করছে তারা উন্নয়নের রোল মডেল, বিরাট একটা উন্নয়ন করে ফেলেছেন, কিন্তু সরকারি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেশের বড় বড় অর্থনীতিবীদরা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন, এসব আসলে আরেকটি গণপ্রতারণা।” 

ব্যাংক সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মানুষ টাকা তুলতে গেলে টাকা পায়না, সরকার টাকা নিয়ে টাকা ব্যাংককে ফেরত দেয়না ,আমানতকারীদের কাছ থেকে টাকা কেটে নেয়া হচ্ছে আবার অন্যদিকে সরকারি খরচ বাড়ানো হচ্ছে, যা আসছে জনগণের ট্যাক্স থেকে। আগে একটা পরিবার থেকে একটা ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদে একজন থাকতে পারতেন, এখন সেখানে একই পরিবারের ৪ জন থাকার নিয়ম করা হয়েছে। এভাবে আওয়ামী লীগের কিছু লোকজনের কাছে চলে যাচ্ছে জনগণের সমস্ত টাকা। আর এর মাধ্যমে দেশে অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ কমিয়ে বিদেশের বাজারে পরিণত করা হচ্ছে দেশকে।”