• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

ফায়ার সার্ভিস: মিরপুরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ হাজার পরিবার

  • প্রকাশিত ০১:৫৫ দুপুর আগস্ট ১৭, ২০১৯
মিরপুর আগুন
মিরপুরে চলন্তিকা মোড়ের বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩ হাজার পরিবার। ছবি: রাজিব ধর/ঢাকা ট্রিবিউন

"আগুন নেভাতে আমাদের ২৪টি ইউনিট কাজ করেছে। কেউ নিহত হননি, তবে চারজন আহত হয়েছেন।"

রাজধানীর মিরপুর ৬ এবং ৭ নম্বরে মধ্যবর্তী চলন্তিকা মোড়ের বস্তিতে শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাতে লাগা আগুনে বস্তিতে থাকা তিন হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. রেজাউল করিম। 

শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে চলন্তিকা মোড়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় ফায়ার সার্ভিসের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, "এখানে আনুমানিক ৫শ’ থেকে ৬শ’ ঘর ছিল। আমরা কিছু ঘর এবং পরিবারকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি। তবে আগুনে বস্তির তিনহাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।"

রেজাউল করিম আরও বলেন, "আগুনে বেশিরভাগ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে আমাদের অনুসন্ধান চলছে। প্রথম থেকে আমাদের কাজ করতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। কারণ, টিনের চালাঘর সব ধসে পড়েছে। এগুলো সরিয়ে কাজ করতে হয়েছে।"

তিনি বলেন, "আগুন নেভাতে আমাদের ২৪টি ইউনিট কাজ করেছে। কেউ নিহত হননি, তবে চারজন আহত হয়েছেন।"

তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, "আমাদের তদন্ত কমিটি প্রক্রিয়াধীন আছে। আজকের মধ্যেই সেটি হয়ে যাবে। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।"

তিনি আরও বলেন, "এখানে অনেক দাহ্য বস্তু ছিল। গ্যাসের সংযোগগুলো ভার্নাবল অবস্থায় ছিল। ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বস্তির আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণ হচ্ছে—সহজ দাহ্য বস্তু দিয়ে বস্তির ঘরগুলো তৈরি করা হয়। আর ঘরগুলো পাশাপাশি একত্রে  লাগানো থাকে। কোনও সেপারেশন থাকে না। এজন্যই  বস্তির আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।’