• বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০০ বিকেল

খুলনা জিআরপি থানায় গণধর্ষণ: অভিযোগকারী গৃহবধূর জামিন নামঞ্জুর

  • প্রকাশিত ০৩:৪৪ বিকেল আগস্ট ১৮, ২০১৯
ওসি উছমান গণি পাঠান
খুলনার জিআরপি থানার ওসি উছমান গণি পাঠানের বিরুদ্ধে এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ঢাকা ট্রিবিউন

প্রসঙ্গত, ২ আগস্ট এক গৃহবধূকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করে থানা-হাজতে ধর্ষণ করে পাঁচ পুলিশ, এরপর তাকে পাঁচ বোতল ফেন্সিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতারও দেখানো হয়

খুলনা জিআরপি থানায় গণধর্ষণের অভিযোগকারী সেই গৃহবধূর জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। 

রবিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে খুলনার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ১ এ তার জামিন আবেদনের শুনানি নামঞ্জুর করেন আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক নয়ন বিশ্বাস।

বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা ‘মানবাধিকার’র সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোঃ মোমিনুল ইসলাম এতথ্য নিশ্চিত করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন কোর্ট পুলিশ ইমরুল হাসান।

প্রসঙ্গত, ২ আগস্ট যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসার পথে গৃহবধূকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করে খুলনা রেল স্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা। পরে রাতে জিআরপি থানায় আনার পর ওসি উছমান গনি পাঠানসহ পাঁচপুলিশ সদস্য ধর্ষণ করে তাকে। 

পরদিন শনিবার তাকে পাঁচবোতল ফেন্সিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে খুলনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত ফুলতলায় প্রেরণ করা হয়। 

৪ আগস্ট আদালতে জামিন শুনানিকালে জিআরপি থানায় ধর্ষণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন তিনি। ৭ আগস্ট ওসি উছমান গণি পাঠান ও এসআই নাজমুলকে ক্লোজড করে পাকশি নেওয়া হয়। ৮ আগস্ট পাকশি ও ঢাকা থেকে গঠিত পৃথক ২টি তদন্ত টিমের সদস্যরা আদালতের অনুমতি নিয়ে জেল গেটে ভুক্তভোগীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। 

এরপর আদালতের নির্দেশে ৯ আগস্ট পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে জিআরপি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তকারী অফিসার হিসেবে ফিরোজ আহমেদকে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। তিনি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ আগস্ট আবেদন করেন। আবেদনের শুনানি সোমবার হওয়ার কথা রয়েছে।