• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪৭ সকাল

শহিদুল আলমের মামলার তদন্ত স্থগিতের আদেশ বহাল

  • প্রকাশিত ০৯:০৫ রাত আগস্ট ১৮, ২০১৯
শহিদুল আলম
আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। ঢাকা ট্রিবিউন

এই মামলার বৈধতার প্রশ্নে জারি করা রুল আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চকে নিষ্পত্তির আদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলার তদন্ত স্থগিতে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।

রবিবার এই মামলার বৈধতার প্রশ্নে জারি করা রুল আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চকে নিষ্পত্তির আদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের নিষ্পত্তি করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন বলে ইউএনবি'র একটি খবরে বলা হয়েছে।

এই আদেশের ফলে মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিলেন তা বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন শহিদুল আলমের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "হাইকোর্ট মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করে যে আদেশ দিয়েছিল তা বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করতে পক্ষগণকে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আবেদন নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেয়া হয়েছে।"

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। শহিদুল আলমের পক্ষে ছিলেন এএফ হাসান আরিফ। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়না হাসান, জ্যোতির্ময় বড়ুয়া প্রমুখ।

এর আগে গত ১৪ মার্চ রাজধানীর রমনা থানায় দায়ের করা এই মামলার কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে শহিদুল আলমের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করে হাইকোর্ট।

ওই রুলে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া কেন অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, রমনার থানার ওসি, পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (উত্তর) পরিদর্শক মো. মেহেদী হাসান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (উত্তর) পরিদর্শক আরমান আলী ও ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ৪ এপ্রিল লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে, যা রবিবার আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে।