• সোমবার, অক্টোবর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫৩ সন্ধ্যা

হটলাইন চালুতে ৫০ লাখ টাকার বাজেট: ভোক্তার পরিচালককে তলব

  • প্রকাশিত ০২:০৩ দুপুর আগস্ট ২০, ২০১৯
হাইকোর্ট
ফাইল ছবি। ঢাকা ট্রিবিউন

ভোক্তাদের সার্বক্ষণিক সেবার জন্য হটলাইন চালু করতে ৫০ লাখ টাকা কেন লাগবে সে ব্যাখ্যা চেয়ে পরিচালককে তলব করেছেন হাইকোর্ট

ভোক্তাদের খাদ্যপণ্য ও বিভিন্ন সেবা নিয়ে সার্বক্ষণিক (২৪ ঘণ্টা) সেবা দিতে হটলাইন চালুতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে চেয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (এনসিআরপি) পরিচালককে (প্রশাসন ও অর্থ বিভাগ) তলব করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আগামী ২৭ আগস্ট পরিচালক শামীম আল মামুনকে হাইকোর্টে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান। আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম এবং ভোক্তা অধিকারের পক্ষে ছিলেন কামরুজ্জামান কচি।

পরে শিহাব উদ্দিন খান জানান, গত ১৬ জুন হাইকোর্ট দুই মাসের মধ্যে একটি হটলাইন সেবা চালু করতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এ আদেশের পর মঙ্গলবার ভোক্তা অধিকারের আইনজীবী আদালতে একটি আবেদন দিয়ে জানান, এজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

একথা শুনে আদালত বলেন-হটলাইন চালু করতে ৫০ লাখ টাকা লাগবে? এ বিষয়ে ব্যাখ্যা শুনতে আদালত ওই পরিচালককে ২৭ আগস্ট তলব করেছেন বলে জানান শিহাব উদ্দিন খান।

গত ১৬ জুন ওই আদেশের পর অধিদপ্তর ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। ৪ জুলাই করা এ কমিটিতে পরিচালক শামীম আল মামুনকে সভাপতি করা হয়।

এরপর ১৪ জুলাই অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (তৎকালীন অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা) মো.হারুন-উজ-জামান ভূঁইয়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবরে ‘হটলাইন স্থাপনের ব্যয় নির্বাহের জন্য ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের অনুকূলে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি সরঞ্জামাদি খাতে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ প্রদান’বিষয়ে একটি চিঠি দেন।

এতে বলা হয়, ‘রিট মামলায় (৫৩৫০/২০১৯) অধিদপ্তরকে ভোক্তাদের সার্বক্ষণিক (২৪ ঘণ্টা) সেবা প্রদানের লক্ষ্যে দুই মাসের মধ্যে একটি হটলাইন স্থাপন করার জন্য হাইকোর্ট ১৬ জুন আদেশ দেন।

এ আদেশ প্রতিপালনের জন্য পরিচালককে (প্রশাসন ও অর্থ) সভাপতি করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতিমধ্যে বিটিআরসির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বিটিআরসি থেকে প্রাপ্ত ধারণানুযায়ী হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী একটি হটলাইন স্থাপন করতে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হবে। কিন্তু ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের বাজেটে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি সরঞ্জামাদি খাতে মাত্র ২ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে যা হটলাইন স্থাপনের ব্যয় নির্বাহের জন্য অপ্রতুল। এ অবস্থায় হটলাইন স্থাপনে ব্যয় নির্বাহে জরুরি ভিত্তিতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।’