• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

বজ্রপাতে ৫ জেলায় ৯ জনের মৃত্যু

  • প্রকাশিত ০৭:১৩ রাত আগস্ট ২২, ২০১৯
বজ্রপাত

 এছাড়াও ১০ জন আহত হয়েছেন

সারাদেশের ৫ জেলায় বজ্রপাতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, মাগুরা, পটুয়াখালী ও বগুড়ায় বজ্রপাতে স্বামী-স্ত্রীসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও বজ্রপাতে সারাদেশে ১০ জন আহত হয়েছেন।

ফরিদপুরে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলার সালথা ও নগরকান্দা উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতে এক নারীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন- সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদি গ্রামের ঈদ্রিস আলীর স্ত্রী হাসি বেগম (৪৫), একই ইউনিয়নের বাতা গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী বিল্লাল মাতুব্বর (৪৭) এবং নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের বিলনালিয়া গ্রামের ইমরান ব্যাপারী। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, হাসি বেগম বাড়িতে রান্না করার সময় এবং বিল্লাল মাতুব্বর ছেলেকে নিয়ে ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা যান। অন্যদিকে কুমার নদে পাট জাগ দেয়ার সময় ইমরান ব্যাপারী বজ্রপাতে মারা যান। নগরকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার মনিরুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার মৌহালী গ্রামে বজ্রপাতে মঙ্গল চন্দ্র সরকার (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি মৌহালী গ্রামের লালু চন্দ্র সরকারের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, দুপুর ২টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যাওয়ার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে মঙ্গল চন্দ্র সরকার গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাগুরার সদর উপজেলায় বজ্রপাতে অলীক বিশ্বাস (৩৫) নামে এক কৃষক নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। মাগুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম ও সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. বাশুদেব কুমার কুন্ডু জানান, দুপুর ৩টার দিকে সদর উপজেলার নলদা গ্রামের অরুন বিশ্বাসের ছেলে অলীক বিশ্বাস মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়াও বজ্রপাতে মাগুরা সদর ও শ্রীপুর উপজেলায় ১০ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

অন্যদিকে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বজ্রপাতে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের নূরু প্রামাণিকের ছেলে আমিরুল ইসলাম (৪০), আমিরুলের স্ত্রী ফাইমা বেগম বেলচা (৩০) এবং সদর ইউনিয়নের নিজ বাটিয়া চরের তহসিনের ছেলে সুমন। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমিন জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের ডাকাতমারা চর থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই আমিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ফাইমা বেগম নিহত হন। এসময় তাদের ৫টি গরুও মারা যায়।

অন্যদিকে পাট ধোয়ার সময় বজ্রপাতে আহত হন সুমন। পরে তাকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওসি।

এদিকে পটুয়াখালীর গলাচিপায় বজ্রপাতে মতিউর রহমান নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চরহরিদেবপুর গ্রামের কৃষক মো. মতিউর রহমান (৬৫) ধানের বীজ রোপনের জন্য ক্ষেতে যান। এসময় হঠাৎ বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই কৃষকের।