• সোমবার, অক্টোবর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫৩ সন্ধ্যা

চট্টগ্রামে বন্যপাখি ব্যবসা: অভিযোগ দীর্ঘদিনের, অবশেষে অভিযান

  • প্রকাশিত ০২:৩১ দুপুর সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৯
পাখি
চট্টগ্রামের নূপুর মার্কেট থেকে বিপুল পরিমাণ বন্যপাখি উদ্ধার করা হয়। ছবি: ইউএনবি

অভিযানে ১১টি দোকান থেকে হিরামন টিয়া ৭টি, অন্য তিন প্রজাতির টিয়া ১৫টি, পাহাড়ি ময়না ২টি, তিলা মুনিয়া ১৭টি, ঘুঘু ২৫টি,  ঝুঁটি শালিক ১টি, এমনকী ৫টি কাকসহ ইত্যাদি ১১০টি দেশীয় জব্দ করা হয়

চট্টগ্রামের রিয়াজুদ্দিন বাজারের নূপুর মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ১১০টি পাখি উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে চট্টগ্রাম র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমানের নেতৃত্ব অংশ নেন ৪০ জন র‌্যাব সদস্য। অভিযানে সার্বিক দিক নির্দেশনা প্রদান করেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ অঞ্চল চট্টগ্রামের (সদর) রেঞ্জ অফিসার মো. ফরিদ উদ্দিন।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নূপুর মার্কেটের তামাকুমন্ডি লেইনের পাখির বাজারে শিকার ও বিক্রি নিষিদ্ধ বন্যপাখি বাণিজ্যের খবর পেয়ে বন বিভাগের সহযোগিতায় সেখানে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত । অভিযানে ১১টি দোকান থেকে হিরামন টিয়া ৭টি, অন্য তিন প্রজাতির টিয়া ১৫টি, পাহাড়ি ময়না ২টি, তিলা মুনিয়া ১৭টি, ঘুঘু ২৫টি,  ঝুঁটি শালিক ১টি, এমনকী ৫টি কাকসহ ইত্যাদি ১১০টি দেশীয় জব্দ করা হয়। এ সময় বন্যপাখির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান অভিযুক্ত ৯ জনের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড এবং অপর এক জনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম (সদর) রেঞ্জ অফিসার মো. ফরিদ উদ্দিন ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন,  “দেশি পাখি ধরা, বিক্রি করা ও পোষা আইনত দণ্ডনীয়। নূপুর মার্কেটে দীর্ঘদিন ধরে বন্যপাখির ব্যবসা হচ্ছে এমন খবর পেয়ে আমরা অভিযান চালাই। অভিযানে ১১০টি দেশীয় পাখি উদ্ধার করাসহ বেশ কয়েকজনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।”

উদ্ধার করা পাখিগুলোকে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেও জানান বন বিভাগের এই কর্মকর্তা।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “এর আগেও সেখানে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী বিক্রি ও পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”