• শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৮ রাত

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে না বার্ষিক পরীক্ষা

  • প্রকাশিত ০৭:০৬ রাত সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৯
প্রাথমিক শিক্ষা
ইউএনবি

'প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার'

২০২১ সাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো বার্ষিক পরীক্ষা থাকছে না। নতুন এ পদ্ধতি আগামী বছর ১০০ বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, "২০২১ সাল থেকে আমরা নতুন কারিকুলামে কার্যক্রম শুরু করব। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা রাখব না। বছর জুড়ে ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে। এতে শ্রেণিকক্ষে ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে।"

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, "আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের যাতে বইয়ের বোঝা না থাকে সেটি স্থানীয়ভাবে প্রশাসন দেখবে। আমরা সেটি বাস্তবায়ন করব।"

উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৩ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০১৮ সালে যা ছিল ৭২ দশমিক ৯ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরে সাক্ষরতার হার বেড়েছে মাত্র ১ শতাংশ। তবে, স্বাক্ষরতার এই হারে সন্তুষ্ট নন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা হবে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘বহুভাষায় সাক্ষরতা, উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা’। তবে এবার যে ১ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে আমরা তাতে সন্তুষ্ট নই। এ বছর আমরা আরও এগিয়ে যাব বলে আশা করছি।"

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "অভিভাবকরা শিশুদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে চান না। ভালো শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক থেকে কিন্ডারগার্টেন ও ইংলিশ মিডিয়ামে নিয়ে যাওয়ার একটা প্রচলন রয়েছে। তবে, আমরা প্রাথমিকে ভালো শিক্ষার ব্যবস্থা করতে কাজ করছি। একদিন দেশের প্রাথমিক শিক্ষা সবচেয়ে ভালো মানের হবে।" 

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ৬৪ জেলার নির্বাচিত ২৫০টি উপজেলায় ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লাখ নিরক্ষরকে সাক্ষরতা দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ১৩৪ উপজেলায় শিখন কেন্দ্রের মাধ্যমে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ৪৪১ জন নিরক্ষরকে সাক্ষরতা দেয়া হয়েছে।