• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

‘ভুল’ চিকিৎসায় সাবেক ক্রিকেটারের মৃত্যু, স্বজনদের হামলায় আহত চিকিৎসক

  • প্রকাশিত ০১:১২ দুপুর সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯
খুলনা
ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) খুলনার খালিশপুর ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এঘটনা ঘটে। মৃত রিপন খুলনার সিটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল ডিপার্টমেন্টের সপ্তম সেমিস্টারের ছাত্র ছিলেন

খুলনায় অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সাবেক ক্রিকেটার রিপন সরদার (৩০) ভুল চিকিৎসায় মারা গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজনরা। 

রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে মহানগরীর খালিশপুর ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এঘটনা ঘটে। মৃত রিপন খুলনার সিটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল ডিপার্টমেন্টের সপ্তম সেমিস্টারের ছাত্র ছিলেন।

পরবর্তীতে, রোগীর স্বজনদের হামলার শিকার হয়ে ক্লিনিকের চিকিৎসক সুজাউদ্দিন আহত হয়েছেন। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

রিপনের পিতা নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত হোসেন বলেন, রিপন শনিবার রাতে গ্যাস সমস্যায় আক্রান্ত হয়। তাকে রাত পৌনে ১টার দিকে খালিশপুর ক্লিনিকে নেওয়া হলে চিকিৎসক প্রথমেই তাকে একটি স্যালাইন দেন যা ১৫ মিনিটে শেষ করা হয়। স্যালাইনটি দ্রুত দেওয়ার ফলে রিপনের গ্যাসের সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এ অবস্থায় ওই ডাক্তার রিপনকে একটি ইনজেকশন দেন। এতে তার হার্ট ব্লক হয়ে যায়। এরফলে আরো অসুস্থ হয়ে পড়লে রিপনকে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খালিশপুর ক্লিনিকের ম্যানেজার আমজাদ হোসেন বলেন, রাতে অসুস্থ অবস্থায় রোগীকে এখানে আনার পর চিকিৎসক সুজাউদ্দিন তাকে খুলনা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বললেও রোগীর স্বজনরা তাতে কর্ণপাত না করে এখানেই চিকিৎসা দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। সমস্যা থাকার কারণেই ডাক্তার এই ক্লিনিকে তার চিকিৎসা করতে চাননি। রোগীর জন্য যে সেবা দরকার ছিল, ডাক্তার তাকে সেই সেবাই দিয়েছেন। রোগী মারা যাওয়ার পর ডাক্তারকে রোগীর স্বজনরা সাথে করে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরেছেন আর মেরেছেন। এর ফলে ডাক্তার সুজাউদ্দিন এখন কানে শুনতে পাচ্ছেন না। তার পায়েও সমস্যা হয়েছে।

খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো সাবিরুল আলম বলেন, রিপনের মৃত্যু হলে তার স্বজনরা ডাক্তার সুজাউদ্দিনকে মারধর করেন। সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ তাকে খুমেক হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে। পরে তাকে ওই হাসপাতালেই ভর্তি করা হয়।