• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

২ বছর ইন্টার্নশিপের প্রস্তাব বাতিলের দাবি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের

  • প্রকাশিত ০২:১৬ দুপুর সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯
মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের মেয়াদ বাড়িয়ে ২ বছর করার প্রস্তাব স্থায়ীভাবে বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন রাঝধানীর বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা ট্রিবিউন

'২ বছরের ইন্টার্নশিপ চালু হলে আমাদের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হবে'

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের মেয়াদ বাড়িয়ে ২ বছর করার প্রস্তাবনা স্থায়ীভাবে বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন রাঝধানীর বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন মেডিকেল পড়ুয়া প্রায় পাঁচশ' শিক্ষার্থী।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের মেয়াদ ১ বছর থেকে বাড়িয়ে ২ বছর করার একটি প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। প্রস্তাবে বলা হয়, যুক্ত হওয়া এক বছরে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাজ করতে হবে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই এর প্রতিবাদে সোচ্চার হন মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। এর প্রেক্ষিতে সাময়িকভাবে এই প্রস্তাব রহিত করা হয়।

এপ্রসঙ্গে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজে ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী সামিউল বলেন, "সরকার এই প্রস্তাবটি সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করেছে। আমরা এই প্রস্তাব স্থায়ীভাবে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের দাবি জানাই। আমরা ইন্টার্নশিপ শেষ করার জন্য উপজেলায় গিয়ে কাজ করতে চাই না। কারণ সেখানে শেখার সুযোগ কম।"

সামিউলের সহপাঠী ফারিহা চৌধুরী বলেন, "উপজেলাগুলোতে স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামো তেমন ভালো নয়। সেখানে প্রথম শ্রেণির ডাক্তারদেরই তেমন নিরাপত্তা থাকে না। ইন্টার্ন হিসেবে আমরা সেখানে টিকবো কিভাবে? ২ বছরের ইন্টার্নশিপ চালু হলে আমাদের ক্যারিয়ারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।"

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. নুরুজ্জামান বলেন, "ইন্টার্নশিপ হলো শিক্ষকদের কাছ থেকে হাতেকলমে শেখার সময়। এসময় আমাদের উপজেলায় পাঠানো হলে আমরা শিখবো কিভাবে? কারণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আমরা কোনো প্রফেসরের সান্নিধ্য পাবো না। এতে আমাদের শিক্ষায় বড় ঘাটতি থেকে যাবে।