• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২২ দুপুর

মির্জা ফখরুল: স্বাধীনতার পর বাংলাদেশিরা ভারতে অভিবাসন করেনি

  • প্রকাশিত ০৪:০০ বিকেল সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯
মির্জা ফখরুল
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টা থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে 'বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি উপলক্ষে' আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ দাবি করেন দলটির মহাসচিব।

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘বেগম জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ, তার গায়ের ব্যথা ও ডায়াবেটিস  বেড়ে গেছে’

স্বাধীনতার পরে কোনো বাংলাদেশি কখনো ভারতে যায়নি বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টা থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে 'বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি উপলক্ষে' আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ দাবি করেন দলটির  মহাসচিব। 

ভারতের আসামের নাগরিকতালিকার বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আসামের মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতারা হুমকি দিচ্ছেন, ভারতে বাংলাদেশিরা অনুপ্রবেশ করেছে, তাদের তারা আবার বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে। কিন্তু আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, স্বাধীনতার পরে কোন বাংলাদেশি কখনো ভারতে যায়নি। সুতরাং আজকে বাংলাদেশকে আবার বিপদগ্রস্ত ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার জন্য গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে।”

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “আসুন আজকে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। দল, মত, বর্ণ নির্বিশেষে আমরা আমাদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় এবং স্বাধীনতা- গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হই।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণকে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, আসুন- নিজেদের অধিকার, ভোটের অধিকার ও কথা বলার অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই।”

খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়ে তিনি বলেন, “বেগম জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। তার ডায়াবেটিস ও গায়ের ব্যথা বেড়ে গেছে। তিনি সাহায্য ছাড়া হাঁটতে ও চলতে পারেন না। কিন্তু এই সরকার ও পিজির ডাক্তাররা বলছেন, তিনি সুস্থ আছেন। কিন্তু তিনি একেবারেই সুস্থ নন। আজকে একেবারেই অসুস্থ অবস্থায় সেখানে কারারুদ্ধ  দিন পার করছেন তিনি।”

অবিলম্বে এই অসুস্থ মহিলা ও নেত্রীর সুচিকিৎসার জন্য মুক্তি দাবি করেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে সরকার রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করতে পারছে না। কারণ তাদের সেই বৈধতা ও সাহস নাই। তাদের নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারণে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে পারছে না। তাই দুইবছরে একটা রোহিঙ্গাকেও ফেরত পাঠাতে পারেনি!

সামনের দিনে বৃহৎত্তর আন্দোলন গড়ে তুলে   বর্তমান দানব সরকারকে পরাজিত করতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীদের সমবেত হতে দেখা গেছে।

অপরদিকে মানববন্ধনকে ঘিরে প্রেসক্লাবের সামনে এবং এর আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তার বলয় গড়ে তুলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়।

মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, জয়নুল আবেদীন ফারুক প্রমুখ।