• শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৮ রাত

রেলমন্ত্রী: ট্রেনের গতি ১৫০ থেকে ২০০ কিলোমিটার বাড়ানো হবে

  • প্রকাশিত ০৯:৩৩ রাত সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯
নুরুল ইসলাম সুজন
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় বাংলাদেশ রেলওয়ের রেলপথ, সেতু, সিগন্যালিং ও রোলিং স্টক রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রেন পরিচালনা বিষয়ক কর্মশালায় রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। ঢাকা ট্রিবিউন

'এতে সৈয়দপুর থেকে ঢাকা যেতে আড়াই থেকে তিন ঘন্টা সময় লাগবে'

বাংলাদেশের প্রচলিত রেল ব্যবস্থার উন্নয়ন করে ট্রেনের গতি প্রতিঘন্টায় ১৫০ থেকে ২০০ কিলোমিটার বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় বাংলাদেশ রেলওয়ের রেলপথ, সেতু, সিগন্যালিং ও রোলিং স্টক রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রেন পরিচালনা বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা জানান তিনি।

রেলমন্ত্রী বলেন, "ঢাকা থেকে সড়কের পাশাপাশি রেলওয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। বিশ্বের অনেক দেশে রেলযোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিমানের সমমানে উন্নীত করা হয়েছে। আমরাও ইলেকট্রনিক ট্রেন চালু করার উদ্যোগ নিয়েছি। ট্রেনের গতি ১৫০ থেকে ২০০ কি:মি: বাড়নো হবে। এর ফলে সৈয়দপুর থেকে ঢাকা যেতে আড়াই থেকে তিন ঘন্টা সময় লাগবে।"

"সরকার রেলওয়ের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ভেতরে একটি আধুনিক শপ স্থাপন করা হবে। শ্রমিক সংকট দূর করতে আরো নিয়োগ দেয়া হবে", যোগ করেন তিনি।

তাজুল ইসলাম আরও বলেন, "সৈয়দপুরে রেলওয়ের জমিতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা রেলওয়ের উন্নয়নের স্বার্থে উচ্ছেদ করা হবে। আরসিসি পিলার দিয়ে উচু উচু ভবন নির্মান করা হয়েছে সেগুলো গুড়িয়ে দেয়া হবে। রেলওয়ের জমিতে যেসব ব্যক্তি অবৈধ্য স্থাপনা গড়ে তুলে মালিক সেজে ভাড়া আদায় করছেন তাদের উচ্ছেদ করা হবে। জমির মালিক যেহেতু রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তাই লিজ নিতে হলে এখান থেকেই বৈধভাবে নিতে হবে। রাজস্ব বাড়াতে দখলদার মুক্ত করে রেলওয়ের জমিগুলোর দখল বুঝে নেয়া হবে।" 

"যারা রেলওয়ের জমিও বাসাবাড়ি দখল করে বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমি রেলমন্ত্রী বলছি, কারো কথায় রেলওয়ের অবৈধ্য স্থাপনা উচ্ছেদ বন্ধ হবেনা। আগামী ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর সৈয়দপুরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে", যোগ করেন তিনি। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রেল মন্ত্রনালয়ের সচিব মো: মোফাজ্জেল হোসেন, মহাপরিচালক মো: শামছুজ্জামান, মহা ব্যবস্থাপক (পশ্চিম) হারুন অর রশিদ, জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডিএস) মো: জয়দুল হক, রেলওয়ের এসপি সিদ্দীকী তাঞ্জিলুর রহমান, বিভাগীয় এস্টেট অফিসার (পাকশী) মো: নুরুজ্জামান প্রমূখ।