• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

বেতনে ২৭১ টাকা কম আসায় উপাচার্যের বিরুদ্ধে শাবি শিক্ষকের মামলা

  • প্রকাশিত ০৫:৩০ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯
শাবিপ্রবি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন।

মামলায় উপাচার্য ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, হিসাব পরিচালক ও প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে

বেতন থেকে ২৭১ টাকা করে কেটে নেয়ার অভিযোগে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দু'টি মামলা দায়ের করেছেন গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাই ও পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।

উভয় মামলায় উপাচার্য ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, হিসাব পরিচালক ও প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর মামলা দু'টি দায়ের করা হয়।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী এএইচএম এরশাদুল হক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য বিমার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ও স্বাস্থ্য বিমায় রাজি না থাকার পরও বেতন থেকে টাকা কেটে নেয়ায় সিলেট সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে আলাদা মামলা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্সের মধ্যে দুই বছরের জন্য স্বাস্থ্য বিমা চুক্তি করা হয়। তবে কে কতটুকু উপকার পাবেন, তা স্বাস্থ্য বিমায় পরিষ্কার করা নেই। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক এ বিমার সঙ্গে একমত হননি। এই কারণে বিমার জন্য আবেদন ফরম পূরণ করতে বলা হলেও তারা পূরণ করেননি। তারপরও তাদের বেতন থেকে ২৭১ টাকা কেটে নেয়া হয়।

যোগাযোগ করা হলে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাই বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যে স্বাস্থ্য বিমার ব্যবস্থা করা হয়েছে তা করতে আমি আগ্রহী না। এ বিষয়ে আমি প্রশাসন দফতরে একটি চিঠিও দিয়েছিলাম। এরপরও বিমার জন্য আমার বেতন থেকে টাকা কাটায় মামলা করেছি।"

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বলেন, "মামলার বিষয়টি সম্পর্কে শুনেছি। বিষয়টি আমরা দেখবো।"

উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এপ্রসঙ্গে বলেন, "স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে দেশের আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বছরের জন্য প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্সের সঙ্গে চুক্তি আছে। আমরা চাইলে দুই বছর পর একই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অথবা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবো। তবে মামলার বিষয়টি কোর্টের মাধ্যমেই সমাধান করা হবে।"