• শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৪৬ বিকেল

১ ডিসেম্বর থেকে চালকদের ‘ডোপ টেস্ট’ শুরু

  • প্রকাশিত ০৭:৪৮ রাত সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯
ডোপ টেস্ট
প্রতীকী ছবি। বিগস্টক

"ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে, পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ টয়লেট থাকবে। সেখানে টিউব থাকবে, পরীক্ষা হবে।"

আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে চালকদের ‘ডোপ টেস্ট’ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ঢাকা মহানগরের গণপরিবহনের শৃঙ্খলা ফেরানো এবং সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসের লক্ষ্যে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের বিশেষ যৌথ সভায় তিনি এ জানান।

খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, "ডোপ টেস্টে কেউ ধরা পড়লে জেল দেওয়া হবে। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে, পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ টয়লেট থাকবে। সেখানে টিউব থাকবে, পরীক্ষা হবে। কেউ ধরা পড়লে তার লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি জেল দেওয়া হবে।"

তিনি বলেন, "আমরা চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চলাচল বন্ধের জন্য কাজ করছি। কিন্তু এখনও করতে পারিনি। এর পেছনে বেশ কিছু কারণও রয়েছে। চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চলাচল বন্ধে কাউন্টারভিত্তিক বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।" 

প্রাথমিকভাবে বসিলা থকে মতিঝিল পর্যন্ত এটি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি জানান, দুই মেয়র ও প্রধামন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। এক স্টপেজ থেকে অন্য স্টপেজ পর্যন্ত গাড়ির দরজা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। ৮ থেকে ৯ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চললে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, "এর অন্যতম কারণ চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো, অসম প্রতিযোগিতা ও মাদক।"

পরিবহন মালিক সমিতির এই নেতা আরও বলেন, "আমরা অনিয়মে ভরপুর। আমরা কোনও নিয়মের মধ্যে আসতে পারিনি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে আর পরিবহন পিছিয়ে যাচ্ছে।"

তিনি জানান, কোনও চালক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এজন্য ৫ লাখ চালক তৈরির জন্য সরকার কাজ করছে। চালক তৈরি সরকারের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

লাইসেন্স ছাড়া চালকদের চাকরি হচ্ছে অভিযোগ করে এনায়েত উল্যাহ বলেন, ভুয়া লাইসেন্স, লাইসেন্সবিহীন কিংবা কাগজপত্র ছাড়া কোনও চালক যদি দুর্ঘটনা ঘটান তাহলে ৩০২ ধারায় মামলা হবে। এজন্য মালিকরাও দায়ী হবেন। আর পরিবহনকে কীভাবে চাঁদামুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। ঢাকা শহরের ৪০ শতাংশ চালক মাদকাসক্ত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।