• শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৯ রাত

প্রধানমন্ত্রী: রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বিরাট বোঝা

  • প্রকাশিত ০৬:৩৬ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
গণভবন
বৃহস্পতিবার গণভবনে এপিপিজি সভাপতি অ্যান মেইনের নেতৃত্বে সিএফওবি এবং জনসংখ্যা, উন্নয়ন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক যুক্তরাজ্য এপিপিজি প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফোকাস বাংলা

কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগে সহিষ্ণুতা দেখানোর জন্য কক্সবাজারের স্থানীয়দের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বিরাট বোঝা হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার, ঢাকা সফররত যুক্তরাজ্যের সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটির (এপিপিজি) সভাপতি অ্যান মেইনের নেতৃত্বে ইউকে কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ (সিএফওবি) এবং জনসংখ্যা, উন্নয়ন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক যুক্তরাজ্য এপিপিজি প্রতিনিধিদল যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে অবহিত করেন বলে ইউএনবি'র একটি প্রতিবেদনে বলা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, "রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বিরাট বোঝা। তাদের কারণে কক্সবাজারের স্থানীয়রা ভোগান্তিতে আছে। মিয়ানমারের উচিত তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়া।"

"বাংলাদেশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে", যোগ করেন তিনি। এসময় তাদের কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগে সহিষ্ণুতা দেখানোর জন্য কক্সবাজারের স্থানীয়দের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়াও আওয়ামী লীগ সরকারের নেয়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, "২০০৬ সালের মাথাপিছু আয় ৫৪৩ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে এখন ১,৯০৯ মার্কিন ডলার হয়েছে। সেই সাথে ২০০৬ সালে যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ছিল ৩,২০০ মেগাওয়াট, তা বেড়ে বর্তমানে ২২,০০০ মেগাওয়াট হয়েছে।"

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনের ক্ষেত্রে ব্রিটেন সবসময় সহায়তা করে আসছে। এ সম্পর্ক আরও বিশালভাবে বিস্তৃত হবে বলে আশা করি।"

সাক্ষাৎকালে  যুক্তরাজ্য এপিপিজি প্রতিনিধিদল আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও জন্মনিয়ন্ত্রণ নীতির জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন খুব চমকপ্রদ বলেও মত দেন তারা।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ও ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।