• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০০ রাত

জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, চুল কেটে ও সিগারেটের ছ্যাকা দিয়ে গৃহবধূকে নির্যাতন

  • প্রকাশিত ০১:১৯ দুপুর সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯
নারী নির্যাতন
প্রতীকী ছবি

হামলাকারীরা জামায়াতে ইসলামির ক্যাডার বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামী

পাবনা সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নের মাদারবাড়িয়া গ্রামে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এক গৃহবধূকে (৩৫) চুল কেটে ও সিগারেটের আগুনের ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। 

এসময় ওই গৃহবধূর স্বামীকেও (৪৫) মারধর করা হয়। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তাদের রাতেই পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, জমি নিয়ে বিরোধ ও মামলা তুলে না নেওয়ায় তাদের ওপর এভাবে নির্যাতন চালান স্থানীয় শাহজাহান ও তার সহযোগীরা।

নির্যাতনের শিকার ওই দম্পতির মেয়ে বলেন,  "শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে শাহাজাহন,খাইরুল, বিপ্লব, ফরিদ ও তৈজদ্দিনসহ ৬-৭ জন মুখে কালো কাপড় দিয়ে আমরা মা ও বাবাকে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারপিট শুরু করে। এ সময় তারা আমার মায়ের মাথার চুল কেটে ফেলে এবং সিগারেটের আগুন দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থান পুড়িয়ে দেয়। এছাড়াও তারা আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে।"

ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, "স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর ক্যাডার শাহজাহান ও তার সহযোগীরা আমাদের বাড়ির ২৩ শতাংশ জমির দলিল জাল করে দখলের পায়তারা করছে। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আদালতে তিনটি মামলা দায়ের করেছি। আট বছর ধরে মামলা চলছে। মামলায় শাহজাহান আলী, মারুফ হোসেন, বকুল হোসেন ও জনিকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিরা আমাদের বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলা করেছে তারা।"

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শাহজাহানকেও একাধিকবার কল করা হয়। তিনিও ফোন ধরেননি।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির আহম্মেদ বলেন, "লোকমুখে ঘটনাটি শুনেছি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিতে পুলিশের এক অফিসারকে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"