• সোমবার, অক্টোবর ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:১৮ দুপুর

নুসরাত হত্যা মামলার রায় ২৪ অক্টোবর

  • প্রকাশিত ০৩:৪৫ বিকেল সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৯
নুসরাত
নুসরাত জাহান রাফি। ফাইল ছবি।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট হাফেজ আহমেদ সোমবার এ তথ্য জানান

আগামী ২৪ অক্টোবর ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মামলার দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমনট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ রায়ের এই দিন ধার্য করেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট হাফেজ আহমেদ এ তথ্য জানান। খবর বাংলা ট্রিবিউনের। 

পিপি বলেন, সোমবার আদালতে রাষ্টপক্ষ থেকে মামলার সার্বিক আইনি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

আদালতে আসামিদের অপরাধ প্রমাণ হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আশা করি, আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে।’


আরো পড়ুন - নুসরাত হত্যাকাণ্ডের সচিত্র বর্ণনা দিলো পিবিআই


‘মামলায় দুর্বল সাক্ষী ও বেশ কিছু অসঙ্গতি’ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে দাবি করে আসামিরা খালাস পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহফুজুল হক ।

গত ১০ জুন আদালত মামলাটি আমলে নিলে শুনানি শুরু হয়। ২০ জুন অভিযুক্ত ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বিচারিক আদালত। ২৭ ও ৩০ জুন মামলার বাদী নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানকে জেরার মধ্য দিয়ে বিচার কাজ শুরু হয়। এরপর ৯২ সাক্ষীর মধ্যে ৮৭ জন সাক্ষ্য দেন আদালতে।

আদালত সূত্র জানায়, ২৯ মে এ মামলার প্রধান আসামি অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে ৮০৮ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পিবিআই)। চার্জশিটভুক্ত ১৬ আসামির মধ্যে ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ৩০ মে মামলাটি ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। ১০ জুন আদালত মামলাটি আমলে নিলে শুনানি শুরু হয়। ২০ জুন অভিযুক্ত ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বিচারিক আদালত।


আরো পড়ুন - লাইফ সাপোর্টে ফেনীর সেই মাদ্রাসা ছাত্রী


প্রসঙ্গত, সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী ছিলেন নুসরাত। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে তিনি যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন। এই ঘটনায় নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে নুসরাতের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়। ৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে আলিম পর্যায়ের আরবি প্রথম পত্রের পরীক্ষা দিতে ওই মাদ্রাসার কেন্দ্রে যান নুসরাত। এসময় তাকে পাশের বহুতল ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হয়। ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুসরাত মারা যায়। এই ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই বাদী হয়ে ৮ এপ্রিল সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন।


আরো পড়ুন - নুসরাত হত্যা: নির্দেশদাতা সিরাজ, আগুন দেয় ৪ জন, গ্রেফতার ১৩