• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০০ রাত

হত্যাকাণ্ডের রাতের সিসিটিভি ফুটেজে আবরার (ভিডিও)

  • প্রকাশিত ০৭:৫৮ রাত অক্টোবর ৭, ২০১৯
আবরার

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আবরারকে কোলে তুলে নিয়ে যাচ্ছেন তিন ব্যক্তি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) শিবির সন্দেহে আবরার ফাহাদ নামে এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত একটি সিসিটিভি ফুটেজ এসেছে ঢাকা ট্রিবিউনের হাতে। 

রোববার (৬ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শেরে বাংলা হলে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আবরারকে কোলে তুলে নিয়ে যাচ্ছেন তিন ব্যক্তি। এ সময় তাদের পেছনে আরও সাতজনকে দেখা যায়। 

সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকালে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে তদন্ত করতে যান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়সহ কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা হলের সিটিটিভি থেকে রাতের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেন। এসময় শিক্ষার্থীরা ফুটেজগুলো প্রকাশ করার দাবি জানান। একপর্যায়ে ফুটেজের দাবিতে শেরেবাংলা হলের প্রাধ্যক্ষের রুমে অবরুদ্ধ করে রাখা হয় পুলিশ কর্মকর্তাদের। শিক্ষার্থীদের দাবি, ফুটেজ না দেখালে কাউকে বের হতে দেওয়া হবে না। তাদের দাবির মুখের মুখে ফুটেজটি প্রকাশ করে পুলিশ।

এদিকে আবরার ফাহাদের মরদেহের ময়নাতদন্ত রিপোর্টের বরাত দিয়ে ভোঁতা কোনো বস্তু দিয়ে পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে সোমবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন।

ময়নাতদন্তে আবরারের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রোববার আনুমানিক রাত ৮টার দিকে ফাহাদকে শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর রুম থেকে ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে নিয়ে যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরবর্তী সময়ে তাকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে পেটানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এদিকে, ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান রাসেল, সহসভাপতি মুস্তাকিম ফুয়াদ, সহসম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু, উপদফতর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ, উপসমাজ কল্যাণ সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপআইন সম্পাদক অমিত সাহা, ক্রীড়া সম্পাদক সেফায়েতুল ইসলাম জিওন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, গ্রন্থ ও গবেষণা সম্পাদক ইশতিয়াক মুন্সি।