• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০০ রাত

আবরার হত্যাকাণ্ড : ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • প্রকাশিত ০৮:৪৮ রাত অক্টোবর ৭, ২০১৯
বুয়েট
আবরার ফাহাদ। ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। 

সোমবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলাটি করেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 


আরও পড়ুন : রাতে আবরারকে বার বার ফোন করেছিলেন মা রোকেয়া


এদিকে আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান রাসেল, সহসভাপতি মুস্তাকিম ফুয়াদ, সহসম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু, উপদফতর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ, উপসমাজ কল্যাণ সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপআইন সম্পাদক অমিত সাহা, ক্রীড়া সম্পাদক সেফায়েতুল ইসলাম জিওন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, গ্রন্থ ও গবেষণা সম্পাদক ইশতিয়াক মুন্সি।


আরও পড়ুন : চিকিৎসক: আবরারের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে


এর আগে রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আবরার ফাহাদের মরদেহের ময়নাতদন্ত রিপোর্টের বরাত দিয়ে ভোঁতা কোনো বস্তু দিয়ে পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে সোমবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন। ময়নাতদন্তে আবরারের শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।




আরও পড়ুন : হত্যাকাণ্ডের রাতের সিসিটিভি ফুটেজে আবরার (ভিডিও)


প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রোববার আনুমানিক রাত ৮টার দিকে ফাহাদকে শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর রুম থেকে ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে নিয়ে যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরবর্তী সময়ে তাকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে পেটানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।