• সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩১ রাত

আবরারের গ্রামের ঘটনায় পুলিশের যা বক্তব্য

  • প্রকাশিত ০৮:৫৭ সকাল অক্টোবর ১০, ২০১৯
আবরার হত্যা
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ সুপারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার ব্যাখ্যা দেওয়া হয় ঢাকা ট্রিবিউন

বুধবার রাতে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ সুপারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের গ্রামেরবাড়ি কুষ্টিয়ায় সমবেদনা জানাতে গিয়ে স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়েন প্রতিষ্ঠানটির উপাচার্য (ভিসি) সাইফুল ইসলাম। পরে গ্রামবাসীর বিক্ষোভের মুখে ফিরে যেতে হয় তাকে। তবে, সেসময় আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফায়াজকে মারধরের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে।

এবিষয়ে বুধবার (৯ অক্টোবর) রাতে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ সুপারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।


আরও পড়ুন: আবরারের গ্রামের বাড়িতে তোপের মুখে বুয়েট ভিসি


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার বিকেলে বুয়েটের ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম কুষ্টিয়ায় উপস্থিত হয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সেক্রেটারি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কুমারখালী থানার রায়ডাঙ্গা গ্রামে গিয়ে পৌঁছান। সেখানে আবরার ফাহাদের দাদা, বাবা, চাচা ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে বাবা, চাচা ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভিসি মহোদয় ঢাকায় ফিরে যান। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ অন্যান্যরা ফিরে আসেন।


আরও পড়ুন: বুয়েট ভিসি: আমি তো অন্যায় করিনি, পদত্যাগ করব কেন?


কিছু কিছু গণমাধ্যম পুলিশ সুপার, কুষ্টিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষে প্রচার করছে যে, আবরার ফাহাদের পরিবার জামায়াত-শিবির। কিন্তু পুলিশ সুপার এমন কোন বিষয়ে কারো কাছে কোন বক্তব্য প্রদান করেননি। কিছু স্বার্থন্বষী মহল অতিরঞ্জিত করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল ও পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য এসব মিথ্যা-বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, যা অনভিপ্রেত।