• শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৬ রাত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বুয়েট আরেকটু কেয়ারফুল থাকলে হয়তো আবরার হত্যাকাণ্ড ঘটতো না

  • প্রকাশিত ০২:০৯ দুপুর অক্টোবর ১১, ২০১৯
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ফাইল ছবি: ফোকাস বাংলা

তিনি বলেন, আবরারের মতো মেধাবী ছাত্ররা আমাদের ভবিষ্যৎ, এই প্রজন্মকে নিয়ে আমরা অহঙ্কার করি। তারা যেন এ ধরনের ঘটনায় হারিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে

বুয়েট প্রশাসন আরেকটু কেয়ারফুল থাকলে হয়তো আবরার হত্যাকাণ্ড ঘটতো না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে প্রশাসন ছাত্রদের প্রতি আরও নজর দেবে, দায়িত্ববান হবে বলে আশা করি।

অনলাইন গণমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলের নবনির্মিত প্রধান ফটক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের প্রায় সবাইকে আমরা শনাক্ত করেছি ও ধরেছি। এ পর্যন্ত ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন ১৬৪ থানায় জবানবন্দি দিয়েছে। আমি আগেও বলেছি, আজও বলছি অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এ মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে। আশা করছি তদন্ত সংস্থা দ্রুত মামলা তদন্ত শেষ করবে।


আরও পড়ুন: আবরার হত্যা: এজাহারভুক্ত আরেক আসামি মাজেদুল গ্রেফতার


তিনি বলেন, আবরারের মতো মেধাবী ছাত্ররা আমাদের ভবিষ্যৎ, এই প্রজন্মকে নিয়ে আমরা অহঙ্কার করি। তারা যেন এ ধরনের ঘটনায় হারিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এমন অনেক ঘটনাই ঘটেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমরা সনি হত্যাও দেখেছি। কিন্তু এ হত্যাকাণ্ডটি সবার হৃদয়ে দাগ কেটেছে। আমি আশা করব, আমাদের ছাত্রসমাজ আর এ ধরনের ঘটনা দেখবে না। সেজন্য তারাও সজাগ থাকবে।

আবরার হত্যার মূল কারণ কী জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ খুনের পেছনে কারণটা কী এটা আমাদের দেখতে হচ্ছে। যারা ধরা পড়ছে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, তদন্ত চলছে, এর পেছনে মোটিভটা কী জানার চেষ্টা চলছে। এমনি এমনি একজন আরেকজনকে হত্যা করবে এটা যেমন বিশ্বাসযোগ্য নয়। সবই আমরা খতিয়ে দেখছি।


ভিসির সঙ্গে বৈঠক সরাসরি সম্প্রচার না করার অনুরোধ বুয়েট শিক্ষার্থীদের


প্রসঙ্গত, গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এই ঘটনায় চকবাজার থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন আবরারের বাবা। ইতোমধ্যে ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।