• বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৩৮ রাত

সাড়ে ৪ মাস পর কবর থেকে তোলা হলো গৃহবধূর লাশ

  • প্রকাশিত ০৯:২৩ সকাল অক্টোবর ১৬, ২০১৯
লাশ

১০ বছর আগে লাইলী আক্তারের সঙ্গে রুবেল মিয়ার বিয়ে হয়

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় আদালতের নির্দেশে লাইলী আক্তার নামের এক গৃহবধূর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) প্রায় সাড়ে চার মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য উপজেলার পৈয়াপাথর উত্তর পাড়া কবরস্থান থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উত্তোলন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

মামলার অভিযোগে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা গ্রামের জীবন মিয়ার মেয়ে লাইলী আক্তারের সঙ্গে মুরাদনগর উপজেলার পৈয়াপাথর গ্রামের হারুনুর রশীদের ছেলে রুবেল মিয়ার বিয়ে হয়। এ দম্পতির দুটি মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে চলতি বছরের ২০ মে রুবেল মিয়া তার দুই ভাইসহ কয়েকজনকে নিয়ে স্ত্রী লাইলী আক্তারকে মারধর করেন। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ২৬ মে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লাইলীর মৃত্যু হয়। 

জানা গেছে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে ওই গৃহবধূর লাশ দাফন করা হয়। এনিয়ে লাইলীর মা জামিলা খাতুন ৭ জুলাই আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি থানায় এজাহারভূক্ত করে তদন্ত করতে পিবিআইকে নির্দেশ দেন। এরপ্রেক্ষিতে পিবিআই মামলার প্রধান আসামি রুবেল মিয়াকে গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ করে জেলহাজতে পাঠায়। জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল পিবিআই’র কাছে ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা যায়।

এবিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন বলেন, আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য গৃহবধূ লাইলী আক্তারের লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। এঘটনায় সন্দেহভাজন মূল হত্যাকারী নিহত লাইলির স্বামী রুবেল মিয়াকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে বাকি আসামিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।