• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ বিভাগীয় চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

  • প্রকাশিত ০৩:২৮ বিকেল অক্টোবর ১৬, ২০১৯
বশেমুরবিপ্রবি
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। ফাইল ছবি

তারা সবাই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪টি বিভাগের চেয়ারম্যানসহ ৭ শিক্ষক প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সারাদিনে বিশ্ববিদ্যালয়টির ৪টি বিভাগের চেয়ারম্যান, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ও ২টি হলের প্রভোস্ট পদত্যাগ করেছেন। 

তারা সবাই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে ।

পদত্যাগকারী শিক্ষকরা হলেন- কৃষি বিভাগের চেয়্যারম্যান ড. এম. এ সাত্তার, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান  মো. আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রো প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নাজমুল হক শাহীন, লাইভস্টক বিভাগের চেয়ারম্যান মো. শফিকুজ্জামান, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রহিম খান, স্বাধীনতা দিবস হলের প্রভোস্ট মুহাম্মদ রবি উল্লাহ, শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট রবিউল ইসলাম।

রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. নূরউদ্দিন আহমেদের কাছে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে সেগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের কাছে পাঠানো হয়।

এদিকে, নতুন করে ৬ জন সহকারী প্রক্টর নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়।

সহকারী প্রক্টর পদে নিয়োগ পেয়েছেন- আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মানসুরা খানম, সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. নেসারুল হক, রসায়ন বিভাগের প্রভাষক নাসিরুদ্দিন, ইইই বিভাগের প্রভাষক চয়ন মণ্ডল, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. হুমায়ূন কবীর ও সিএসই বিভাগের প্রভাষক এস.এ.এম মেহেদী হাসান।

ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. মো. শাহজাহান ৭ জনের পদত্যাগ ও নতুন ৬ সহকারী প্রক্টর নিয়োগের বিষয়টি ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারের কাছে স্মারকলিপি দেন। 

গত ১১ সেপ্টেম্বর আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাস সাংবাদিক ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ওই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আন্দোলনের মুখে ১৮ সেপ্টেম্বর প্রশাসন জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ তুলে নিতে বাধ্য হয়। 

গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ এনে ভিসির পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

পরবর্তীতে আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় ও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনজন সহকারী প্রক্টর পদত্যাগ করেন। টানা ১২ দিনের আন্দোলনের মুখে এক পর্যায়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনও পদত্যাগ করেন।