• শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৬ রাত

পাখির বাসা ভাঙা যাবে না, হাইকোর্টের আদেশ

  • প্রকাশিত ০৮:৩৬ রাত অক্টোবর ৩০, ২০১৯
আমবাগানে পাখি
ছবি: সংগৃহীত

একই আদেশে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার খোর্দ্দ বাউসা গ্রামকে কেন অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার খোর্দ্দ বাউসা গ্রামের আমবাগানের পাখির বাসা কখনোই ভাঙা যাবে না বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

বুধবার (৩০ অক্টোবর) একটি দৈনিকে পাখির বাসা ভাঙা সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে আদালতের নজরে আনার পর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেন বলে জানায় বাংলা ট্রিবিউন।

আদেশে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার খোর্দ্দ বাউসা গ্রামকে কেন অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি অভয়ারণ্য ঘোষণা করলে ওই আমবাগান ইজারাদারদের কী পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তা ৪০ দিনের মধ্যে জানাতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সামীউল আলম সরকার।

এর আগে একটি জাতীয় দৈনিকে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) ‘পাখিদের বাসা ছাড়তে সময় দেওয়া হলো ১৫ দিন’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, “পাখির বাসা ছাড়ার সময় দেওয়া হয়েছে ১৫ দিন। এরমধ্যে পাখিরা বাসা না ছাড়লে তাদের বাসা থেকে নামিয়ে দেওয়া হবে। এমনকি তাদের বাসা ভেঙেও দেওয়া হবে।” 

ওই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার খোর্দ্দ বাউসা গ্রামে। কয়েক হাজার শামুকখোল পাখি এই হুমকির মুখে পড়েছে।

ওই প্রতিবেদনটি বুধবার আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী প্রজ্ঞা পারমিতা রায়। প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন।