• সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৭ দুপুর

ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য সরকারের প্রণোদনা ৮০ কোটি টাকা

  • প্রকাশিত ১০:৪৫ রাত অক্টোবর ৩০, ২০১৯
কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক
কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। ফাইল ছবি: মাহমুদ হোসাইন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশের ৬৪ জেলার ছয় লাখ ৮৬ হাজার ৭০০ বিঘা জমি এই প্রণোদনার আওতায় আসবে

রবি মৌসুমকে সামনে রেখে এবার দেশের ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে সরকার ৮০ কোটি ৭৩ লাখ ৯১ হাজার ৮০০ টাকা প্রণোদনা দেবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) সচিবালয়ে এসংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশের ৬৪ জেলার ছয় লাখ ৮৬ হাজার ৭০০ বিঘা জমি এই প্রণোদনার আওতায় আসবে।

মন্ত্রী জানান, “এবার মোট ৯টি ফসলকে কৃষি প্রণোদনা কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো- গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, শীতকালীন মুগ ও পেঁয়াজ এবং পরের খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ ও তিল। এ ৯টি ফসল আবাদের এলাকা বৃদ্ধি, হেক্টরপ্রতি ফসলের ফলন বৃদ্ধি, সার্বিকভাবে দানাশষ্য এবং ডাল, তেল ও মসলা জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের প্রাকৃতিক কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা এই প্রণোদনার উদ্দেশ্য।”

কৃষকদের মধ্যে গম চাষের জন্য ৭৫ হাজার, ভুট্টায় ২ লাখ ৫০ হাজার, সরিষায় ২ লাখ ৪০ হাজার, সূর্যমুখীতে ৪ হাজার, চীনাবাদামে ১০ হাজার, গ্রীষ্মকালীন তিলে ২৫ হাজার, শীতকালীন মুগে ৪৫ হাজার, গ্রীষ্মকালীন মুগে ৩০ হাজার ও পেঁয়াজে ৭ হাজার ৭ জন কৃষক প্রণোদনা পাবেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণ ও খাদ্যে পুষ্টি নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ এবং প্রধান লক্ষ্য। এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলে ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭০০ বিঘা অর্থাৎ ৯১ হাজার ৭৪৫ হেক্টর জমি চাষ করা সম্ভব হবে। এতে প্রায় ৮৪০ কোটি ২৯ লাখ ৩৪ হাজার ২৯১ টাকা আয় হবে।”

প্রণোদনা পাওয়া কৃষকদের প্রত্যেককে ১ বিঘা জমির জন্য শস্য বীজ এবং ডিওপি ও এমওপি সার দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে এই প্রণোদনা নিতে পারবেন সুবিধাপ্রাপ্ত কৃষকরা।