• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০০ দুপুর

চাকরি দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণ

  • প্রকাশিত ০৮:৪০ রাত নভেম্বর ২, ২০১৯
গণধর্ষণ
প্রতীকী ছবি।

এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ

নরসিংদীর শিবপুরে চাকরির দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে এক কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার সৃষ্টিগড় হাজীবাগান এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন শিবপুর মডেল থানার পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর, তদন্ত) মো. মুমিনুল ইসলাম।

এই ঘটনায় পুলিশ রাকিব মিয়া (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে। আটক রাকিব শিবপুর উপজেলার সৃষ্টিগড় গ্রামের রবিউল্লাহর ছেলে। তবে, আরও দুই অভিযুক্ত আরিফ (২৫) ও অজ্ঞাতনামা এক গাড়িচালক পলাতক এখনও রয়েছে। 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে অভিযুক্ত আরিফ ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ডেকে নেয়। এরপ্রেক্ষিতে ওই ছাত্রী সৃষ্টিগড় এলাকায় গেলে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নেয় আরিফ ও তার দুই সহযোগী। এসময় চাকরি খোঁজার নাম করে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাইক্রোবাসে ঘুরে বেড়ায় তারা।

সন্ধ্যার পর একটি অপরিচিত ও নির্জন এলাকায় পৌঁছালে ওই ছাত্রীর সন্দেহ হয় এবং সে চিৎকার শুরু করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ভুক্তভোগীকে মারধর করেন আরিফ, রাকিব ও অজ্ঞাত ওই গাড়িচালক। রাতে হাজীবাগান এলাকায় নিয়ে ওই ছাত্রীকে লাথি দিয়ে গাড়ী থেকে ফেলে মুখ বেঁধে ফেলা হয়। পরে হাজীবাগান এলাকার একটি নির্জন জঙ্গলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। রাতভর নির্যাতন শেষে সকালে জঙ্গলের পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে আটক রাখা হয় ভুক্তভোগীকে। পরে সেখান থেকে ওই ছাত্রী কৌশলে পালিয়ে গিয়ে স্থানীয় একজনের সহায়তায় শিবপুর মডেল থানায় পৌঁছে মৌখিক অভিযোগ দাখিল করেন। পরে তাকে শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পুলিশ। সেখান থেকে নরসিংদী সদ হাসপাতালে পাঠানো হয় তাকে।  

নরসিংদী সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মাহমুদুল কবির বাশার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। রবিবার ভুক্তভোগীর আরও ডাক্তারি পরীক্ষা করবেন গাইনি বিভাগের চিকিৎসকরা।   

ইন্সপেক্টর মো. মুমিনুল ইসলাম বলেন, "এই ঘটনায় শনিবার বিকেলে সৃষ্টিগড় এলাকা থেকে রাকিব নামে এক অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার তরুণীর মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।"