• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫৭ সকাল

‘কারেন্ট পোকায়’ ভেস্তে যেতে বসেছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন

  • প্রকাশিত ১১:৪৭ সকাল নভেম্বর ৫, ২০১৯
ধান
ছবি: ফাইল ছবি/ঢাকা ট্রিবিউন

এদিকে কয়েক মাস ধরে নিবিড় পরিচর্যার শেষ মুহূর্তে এসে ধানক্ষেতে কারেন্টে পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা


কার্তিকের শেষে দিগন্তজোড়া মাঠে পাকতে শুরু করেছে আমন ধান। কয়েক মাস ধরে নিবিড় পরিচর্যার শেষ মুহূর্তে এসে ভেস্তে যেতে বসেছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন। কারেন্টে পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন কৃষকরা।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ পোকার আক্রমণের খবর পাওযা গেছে। অনেক চেষ্টা করেও এ সমস্যার প্রতিকার পাচ্ছেন না কৃষক। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহনে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে দাবি করেছে।

‘কারেন্ট পোকা’নাম প্রসঙ্গে কৃষকরা জানান, এটা এমন এক জাতের পোকা যা কোনো ফসলের মাঠে আক্রান্ত হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যে পুরো ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়। কারেন্টের মতো দ্রুত গতির কারণেই এটি কৃষকদের কাছে কারেন্ট পোকা নামে পরিচিত।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বল্লা, কানাইরালী, শিওরদহ, বাঁকড়া ও আলীপুর মাঠে কমবেশি প্রায় ধানক্ষেতে কারেন্ট পোকার আক্রমন দেখা দিয়েছে।

আজাহারুল ইসলাম নামে এক কৃষক জানান, “তিনি ১৫ বিঘা জমিতে এবারে রোপা আমনের চাষ করেছেন। আবহাওয়া ঠিক থাকলে আগমি ১০-১২ দিন পরেই ধান কাটা শুরু করবেন। এ অবস্থায় আশপাশের জমিতে কারেন্ট পোকার আক্রমণ দেখে আগেভাগেই নিজের জমিতে বিভিন্ন কিটনাশক প্রয়োগ করছেন।”

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপঙ্কর দাশ জানান, “এটা মূলত আবহাওয়াজনিত পোকার আক্রমণ। কারেন্ট পোকার হাত থেকে রেহাই পেতে আলোর ফাঁদের মাধ্যমে পোকা নির্ণয় করে ওষুধ ব্যবহার করতে হবে।”

ঝিকরগাছায় কারেন্ট পোকার আক্রমণ এখনো সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “বিষয়টি নিয়ে কৃষি কর্মকর্তারা সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।”