• সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৩৩ দুপুর

পররাষ্ট্রমন্ত্রী: রোহিঙ্গাদের ভাসান চরে যেতে বাধ্য করা হবে না

  • প্রকাশিত ০৯:০৭ রাত নভেম্বর ৫, ২০১৯
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। ফাইল ছবি: মেহেদী হাসান/ঢাকা ট্রিবিউন

গত দুই বছরে মিয়ানমার বাংলাদেশ থেকে একজন রোহিঙ্গাকেও ফিরিয়ে নেয়নি তবে দেশটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ‘বিভ্রান্ত’ করতে দাবি করেছে যে মোট ৩৯৭ জন বাস্তুচ্যুত মানুষ স্বেচ্ছায় বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফিরে গেছে

রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসান চরে উন্নত জীবন ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে তাদের কাউকেই জোরপূর্বক সেখানে স্থানান্তর করা হবে না।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন তার কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিস ওয়েলসের সঙ্গে বৈঠককালে এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের আলাদাভাবে ব্রিফ করেন ড. মোমেন এবং এলিস ওয়েলস।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আশ্রিত অবস্থায় আছে। যাদের বেশিরভাগই মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর এদেশে এসেছে।

গত দুই বছরে মিয়ানমার বাংলাদেশ থেকে একজন রোহিঙ্গাকেও ফিরিয়ে নেয়নি তবে দেশটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ‘‘বিভ্রান্ত’’ করতে দাবি করেছে যে মোট ৩৯৭ জন বাস্তুচ্যুত মানুষ স্বেচ্ছায় বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফিরে গেছে।

মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মধ্যে ‘‘বিশ্বাসের ঘাটতি দূর করতে ব্যর্থ হওয়ায়’’ এবং তাদের প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে ‘‘অনুকূল পরিবেশের অভাব’’ থাকায় দুইবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

 ‘‘বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে বাধা দিচ্ছে এমন প্রকৃত কারণগুলো মোকাবিলায় মিয়ানমারকে অবশ্যই সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে,” বলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাংলাদেশ বলছে, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক অংশগ্রহণকে মিয়ানমারের গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।

 ‘‘দীর্ঘায়িত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য দায়মুক্তির সংস্কৃতি দূরীকরণে মিয়ানমারেরও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত,’’ বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।