• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫৭ সকাল

কৃষি জমি নষ্ট করে শিল্পকারখানা না নির্মাণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • প্রকাশিত ০২:৩৪ দুপুর নভেম্বর ৬, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফোকাস বাংলা

‘আমরা ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি। যারা ইন্ডাস্ট্রি করতে চায় তাদেরকে ওইসব অঞ্চলে প্লট দেওয়া হবে। তারা সেখানে শিল্প গড়ে তুলবে। কারণ আমার কৃষি জমি বাঁচাতে হবে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “কৃষি জমি নষ্ট করে যত্রতত্র শিল্পকারখানা করতে দেওয়া হবে না।”

বুধবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কৃষক লীগের ১০ম সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমরা ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি। এটার অর্থ হলো যেন কৃষি জমি নষ্ট না হয়। যারা ইন্ডাস্ট্রি করতে চায় তাদেরকে ওইসব অঞ্চলে প্লট দেওয়া হবে। এছাড়া সব ধরনের সার্ভিস দেওয়া হবে। তারা সেখানে শিল্প গড়ে তুলবে। কারণ আমার কৃষি জমি বাঁচাতে হবে।”

কৃষকের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা উন্নত হবো, শিল্পায়ন করবো। তবে কৃষকদের বা কৃষিকে বাদ দিয়ে নয়।”

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ। কৃষকরাই বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে রাখে। কৃষক ফসল ফলায়, আমরা খেয়ে বেঁচে থাকি। একটি সমাজ ও দেশের জন্য কৃষক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ’

শেখ হাসিনা বলেন, “আগে কৃষক ফসল ফলাতো কিন্তু তার পেটে খাবার ছিল না। তাদের পরনের কাপড় ছিল না। কৃষকের অধিকার সংরক্ষণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কৃষক যেন তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।”

এসময় তিনি ই-কৃষি চালুর কথা জানিয়ে বলেন, “কৃষকরা যেকোনও সমস্যার সমাধানে এখন ‘১৬১২৩’ কল করে জানতে পারে। আমাদের কৃষকরাও এখন যথেষ্ট পরিপক্ব।”

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “খাদ্য উৎপাদনে সারাবিশ্বে আমরা চতুর্থ অবস্থানে আছি। বাংলাদেশ একটি মানুষও আর গৃহহারা থাকবে না। তাদের প্রত্যেকের যেন মাথা গোঁজার ঠাঁই হয় আমরা সে ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পাশাপাশি আমরা এবার পুষ্টির দিকে নজর দিচ্ছি। আমরা মাছ ও খাদ্য উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ অবস্থানে আছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ফসলকে বহুমুখি করতে চাই। এপর্যন্ত ১০৮টি ধানের জাত আবিষ্কার করতে পেরেছি। আয়রন ও জিংকসমৃদ্ধ চাল উৎপাদন করতে পেরেছি। আমি নিজেও সেই চাল খেয়ে দেখেছি। এছাড়া ৪৪২টি উৎপাদনপ্রযুক্তি আমরা উদ্ভাবন করতে পেরেছি।”

গবেষণা ছাড়া কৃষি উন্নয়ন সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা গবেষণার মাধ্যমে উন্নতমানের বীজ উৎপাদন করছি। বর্তমানে দেশেই গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন ধররনের সবজি ১২ মাসই উৎপাদন করা যাচ্ছে। আমরা কৃষি উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছি।”