• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:১৩ বিকেল

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মহিলা আওয়ামী লীগ কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

  • প্রকাশিত ১২:৩৭ দুপুর নভেম্বর ৯, ২০১৯
নাটোর

ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করা হয় ওই মহিলা আওয়ামী লীগ কর্মীকে। মারধর করা হয় তার বোন ও বোনের স্বামীকেও

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ব্রহ্মপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে একই এলাকার মহিলা আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। আহত নারীকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এ মারধরের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বাবু, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম ও নলডাঙ্গা থানার ওসি উজ্জ্বল হোসেন ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ওই মহিলা আওয়ামী লীগ কর্মীর পারিবারিক বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ করেন অভিযুক্ত আফজালের স্ত্রী নাহার বানু। নিষেধ করা হলে তিনি বাড়ি ফিরে গিয়ে স্বামীকে জানালে তিন ছেলে নয়ন, নাহিদ ও লিখনকে নিয়ে ওই নারীর বাড়িতে চড়াও হন আফজাল। 

তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পরে ওই নারী তার বোন ও বোনের স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে যান। কিন্তু থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তার দেখা না পেয়ে বাড়ি ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন তারা। পথিমধ্যে হলুদঘর শেখপাড়া বাজারে আফজাল ও তার সহযোগীরা তাদের ওপর হামলে পড়েন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করা হয় ওই মহিলা আওয়ামী লীগ কর্মীকে। মারধর করা হয় তার বোন ও বোনের স্বামীকেও। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আফজাল হোসেন বলেন, মহিলা আওয়ামী লীগের ওই কর্মী তার এক বোনকে সঙ্গে নিয়ে তাদের অন্য দুই বোনকে অমানুষিকভাবে মারধর করছিলেন। এতে তার স্ত্রী নাহার বানু বাধা দিলে তার ওপর চড়াও হন ওই দুই নারী। এরপর ওই আওয়ামী লীগ কর্মী তার দুলাভাইকে সঙ্গে নিয়ে তার ছেলে নাহিদকে ডেকে নিয়ে অকথ্য গালিগালাজ শুরু করলে মারধরের ঘটনা ঘটে। 

তবে কোনো ধারালো অস্ত্র নয়, বরং বাঁশের লাঠির আঘাতে ওই নারী রক্তাক্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন আফজাল।

নলডাঙ্গা থানার ওসি উজ্জল হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনও কোনো অভিযোগ বা মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।