• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৮ রাত

আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে সবাই দেখলো দরজায় তালা দেওয়া

  • প্রকাশিত ০৯:১৯ রাত নভেম্বর ৯, ২০১৯
পিরোজপুর

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. নাজমুল আলম জানান, 'আমি বিষয়টি শুনে সাইক্লোন শেল্টার খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি'

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে তালা দেওয়া অবস্থায় পেয়েছে ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের সতর্কতা পাওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে ওই কেন্দ্রের তালা ভেঙে সেখানে প্রবেশ করা হয়। 

শনিবার (৯ নভেম্বর) রাত ৭টার দিকে উপজেলার নদমূলা শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪ নং দারুলহুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারে এ ঘটনা ঘটে। 

ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ মাহমুদ এবং নদমূলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবু ছালেহ দুলাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

আবু ছালেহ দুলাল জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ক্ষয়-ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে কঁচা নদীর তীরের দারুলহুদা গ্রামের লোকজন বিকেল থেকে ওই বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয়ের জন্য যায়। এ সময় তারা   ভবনটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পায়। পরে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং ইউপি সদস্যের কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়। 

স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ মাহমুদ জানান, "প্রধান শিক্ষক ওবায়দুল আলমের কাছে স্কুলের চাবি  ছিল। ফলে লোকজনকে আশ্রয় দিতে না পেরে বিষয়টি আমি ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল আলম ও উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার কামাল হোসেনকে জানাই। এরপর তাদের নির্দেশে রাত ৭টার দিকে সাইক্লোন শেল্টারের তালা ভেঙে লোকদের সেখানে আশ্রয় দেই।" 

আবদুল্লাহ মাহমুদ আরও জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক ওবায়দুল আলম পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা।  দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কারণে নির্দেশনা থাকার পরও কেন স্কুলের চাবি নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন তা জানার জন্য তার মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

ভান্ডারিয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. নাজমুল আলম জানান, "আমি বিষয়টি শুনে সাইক্লোন শেল্টার খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।"